shono
Advertisement
New Zealand

নৈশভোজের অপেক্ষায় পরিবার, ফেরা হল না বাড়ি! নিউজিল্যান্ডে দুর্ঘটনায় মৃত্যু ভারতীয় যুবকের

ওই যুবক পেশা বদলে উবের চালানো শুরু করেন পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় কাটাবেন বলে। রেখে গেলেন ১৮ মাসের শিশুকন্যা ও স্ত্রীকে।
Published By: Biswadip DeyPosted: 02:09 PM May 26, 2026Updated: 02:12 PM May 26, 2026

নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক উবের চালকের মৃত্যু হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায়। রেখে গেলেন ১৮ মাসের শিশুকন্যা ও স্ত্রীকে। জানা গিয়েছে, পাপামোয়ার কাছেই ‘তে পুকে হাইওয়ে’-তে বাইক ও গাড়ির সংঘর্ষে ৩৬ বছর বয়সি রমণদীপ ধিঁলো প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁর স্ত্রী জানিয়েছেন, রমণদীপ বাড়িতে জানিয়ে গিয়েছিলেন শিগগিরি নৈশভোজের জন্য ফিরে আসবেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত বাড়িতে এল তাঁর প্রয়াণ সংবাদ।

Advertisement

জানা গিয়েছে, পাঞ্জাবের বাসিন্দা ওই যুবক ২০১৫ সালে নিউজিল্যান্ডে যান পড়ুয়া ভিসা নিয়ে। ২০২৪ সালে দেশে ফিরে বীরপাল কউরকে বিয়ে করেন তিনি। পরে দু'জনে একসঙ্গে নিউজিল্যান্ডের পাপামোয়াতে ফিরে যান। প্রথমে অন্য চাকরি করলেও পরে পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় কাটাবেন বলেই পেশা বদলান রমণদীপ। তাঁর স্ত্রী জানিয়েছেন, মেয়ের জন্মের পরই এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

সেই সঙ্গেই তিনি জানাচ্ছেন, বাবা হওয়ার পর থেকেই রমণদীপ উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন। মেয়ের সঙ্গে সময় কাটাতে তিনি খুব ভালোবাসতেন। মেয়ের নাম রেখেছিলেন 'কুদরত'। যার অর্থ ‘প্রকৃতি’। প্রায়ই তাকে নিয়ে পার্কে যেতেন তিনি। সেই সঙ্গে বারবার বলতেন, মেয়েকে দেখতেন তাঁর মতোই হয়েছে। এবং বাবার হাসিটাও সে উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে।

ঘটনার দিনও অনেকটা সময় পরিবারের সঙ্গেই কাটিয়েছিলেন রমণদীপ। পরে স্ত্রীকে বলে যান, নৈশভোজের সময়ের মধ্যেই তিনি ফিরে আসবেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত এল তাঁর মৃত্যুসংবাদ। এক পুলিশ অফিসার বাড়ি এসে খবর দেন। তখন অনেক রাত। বীরপাল জানিয়েছেন, ''এক মুহূর্তেই বুঝতে পারলাম আমার জীবনটা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।'' এদিকে রমণদীপের ঘনিষ্ঠ বন্ধু গুরলাভ সিং প্রয়াত বন্ধুর সম্পর্কে বলতে গিয়ে জানিয়েছেন, তিনি একজন যত্নশীল ও হাসিখুশি মানুষ ছিলেন। তাঁর কথায়, “ও ছিল এক চমৎকার মানুষ। বন্ধুসুলভ। সেই সঙ্গেই একজন ভালো স্বামী এবং একজন ভালো বাবা।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement