টানা দশদিন ধরে ইরানে বোমাবর্ষণ করছে আমেরিকা। লক্ষ্যবস্তু--- সেতু, রেল স্টেশন, বিমানবন্দরের মতো দেশটির জরুরি পরিকাঠামো। পালটা মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালাচ্ছে ইরানও। মঙ্গলবার তেহরানের ইসলামিক রেভিলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরএনএ) জানাল, নতুন করে কুয়েত এবং বাহারিনের মার্কিন সেনাঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। পাশাপাশি আরও বড় হামলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিল তারা।
সংবাদমাধ্যমকে আইআরএনএ জানিয়েছে, বাহারিনের দু'টি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ব়্যাডারে হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ব়্যাডার, স্যাটেলাইট সিগন্যালিং ব্যবস্থাকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে। আইআরজিসির দাবি, এর ফলে ভবিষ্যতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সামলানো কঠি হবে দুই দেশের মার্কিন সেনাঘাঁটির পক্ষে। পাশাপাশি ইরানির সেনার হুঁশিয়ারি, আরও বড় এবং ভয়ংকর হামলার জন্য তৈরি থাকুন।
এদিকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার লক্ষ্যে ইরানে টানা দশদিন ধরে হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা। মার্কিন সেনার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আরও এক মার্কিন সেনার মৃত্যু এবং মার্কিন মিত্র দেশ কুয়েত, জর্ডন, বাহরিনের উপরে তেহরানের হামলার জবাব দিতেই এই বোমাবর্ষণ। সেই সঙ্গেই জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানি আক্রমণ রোখাও এই হামলাগুলির লক্ষ্য।
গতকালই নিজস্ব সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘যতবার ইরান একজন মার্কিন সেনাকে হত্যা করবে, ততবারই তাদের সেই হত্যার জন্য বহুগুণ মূল্য চোকাতে হবে। আমেরিকার সেনাবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকদের এই নির্দেশ ইতিমধ্যেই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।’ সেই সময় থেকেই বোঝা গিয়েছিল এবার ফের ভয়াবহ হামলার পথে হাঁটবে আমেরিকা। দ্রুতই সেই আশঙ্কা সত্যি হল।
