লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে আলোচনার টেবিলে বসবে না ইরান। শান্তি বৈঠকের আগে শুক্রবার এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, তেহরান যে পূর্ব শর্তগুলি রেখেছিল, সেগুলিও পূরণ করতে হবে।
ঘালিবাফ তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘আমরা যে শর্তগুলি রেখেছিলাম, তার মধ্যে দু’টি শর্ত এখনও পূরণ হয়নি। প্রথমত, লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ এবং ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। বৈঠক শুরুর আগে এই শর্তগুলি পূরণ করতে হবে।’ ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস অরাঘচিও একই কথা বলেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আমাদের শর্তগুলি পরিষ্কার। আমেরিকাকে তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি মানতেই হবে। লেবাননে বন্ধ করতে হবে মারণ যুদ্ধ।
এদিকে শান্তি বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, “আমরা আলোচনার জন্য আগ্রহী এবং আশাবাদী। ইরান যদি সদিচ্ছা নিয়ে বৈঠকে বসে, তাহলে আমরা অবশ্যই তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত। কিন্তু যদি তারা আমাদের প্রতারিত করার চেষ্টা করে, তাহলে পরিণতি ভালো হবে না।” তিনি আরও বলেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমাদের বেশ কিছু স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছেন। আমরা তা মেনে চলব। এরপর দেখা যাক কী হয়!” এই পরিস্থিতিতে এবার শান্তি বৈঠক নিয়ে কার্যত অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করল ইরান। শনিবার ইসলামাবাদে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় কি না সেটাই এখন দেখার।
