যুদ্ধবিরতির অন্যতম শর্ত ছিল এটি। কিন্তু তা সরাসরি খারিজ করে দিল ইরান। ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই (Mojtaba Khamenei) সাফ জানিয়ে দিলেন, ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে যাবে না।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘ফার্স নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকা তেহরানের কাছে ৪০০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছিল, যা যুদ্ধবিরতির অন্যতম শর্ত ছিল। কারণ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনওভাবেই চায় না ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকুক। গত মাসে তিনি দাবি করেছিলেন, তেহরান তাদের মজুতকৃত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে সম্মত হয়েছে এবং উভয় পক্ষ একটি শান্তি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু এবার ইরান জানিয়ে দিল, তারা তাদের ইউরেনিয়াম কোনওভাবেই অন্য দেশের হাতে তুলে দেবে না।
বলে রাখা ভালো, শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে আমেরিকা ইরানকে যে ৫ শর্ত দিয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ইরানকে একটি পরমাণু ঘাঁটি চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, যুদ্ধের জেরে ইরান যে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছিল আমেরিকার কাছে, তা কোনওভাবেই দেওয়া না। দাবি অনুযায়ী, ইরানকে ৪০০ কিলোগ্রাম ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে। আমেরিকা ইরানের যে বৈদেশিক সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে তার ২৫ শতাংশও ফেরানো হবে।
উল্লেখ্য, আপাতত ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষবিরতি চললেও, পরিস্থিতি যে কোনও মুহূর্তে গুরুতর আকার নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। এই আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইজরায়েলের পরবর্তী রণকৌশল।
