আমেরিকার সঙ্গে লড়াইয়ে এবার দেশের নাগরিকদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে ইরান। আর প্রথম সারিতেই রয়েছে মহিলারা। সম্প্রতি একটি রিপোর্টে তেমনটাই দাবি করা হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, যুদ্ধের ময়দানে লড়াইয়ের জন্য তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে বলে খবর।
আপাতত ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষবিরতি চললেও, পরিস্থিতি যে কোনও মুহূর্তে গুরুতর আকার নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইজরায়েলের পরবর্তী রণকৌশল। অন্যদিকে, ইরানও নতুন করে যুদ্ধের জন্য জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। সূত্রের খবর, তরুণ, বৃদ্ধ, মহিলা বয়স লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে অস্ত্র। দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ। সম্প্রতি ইরানের সংবাদমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে (যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে এক যুবককে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পতাকার দিকে একটি একে-৪৭ রাইফেল দিয়ে গুলি চালাতে দেখা গিয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'সিএনএন'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘর্ষবিরতির পর থেকেই আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। গত কয়েক সপ্তাহে রাজধানী তেহরান-সহ ইরানের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ 'রাত্রিকালীন সমাবেশে' যোগ দিয়েছেন। প্রত্যেকের মুখে একটাই স্লোগান ছিল 'আমেরিকার মৃত্যু হোক'। তাঁরা অস্ত্র চালানোরও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এক ইরানি সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, ইরানের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ নাগরিকদের হাতে অস্ত্র দেখা গিয়েছে। তেহরানের ভানাক স্কোয়ারে নাবালিকা, কিশোরী এবং তরুণীদের একে-৪৭ ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসবই ইঙ্গিত দেয় যে আমেরিকার বিরুদ্ধে এখন বড় ধরণের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।
