লেবাননে ইজরায়েলের হামলায় ঘেঁটে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। মনে করা হচ্ছিল, যুদ্ধবিরতির মধ্যে দিয়ে শান্তি ফিরবে। কিন্তু বুধবার তেল আভিভের ভয়ংকর হামলায় নতুন করে যুদ্ধের আগুন ছড়িয়েছে। এদিকে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইজরায়েল। কিন্তু এহেন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতেই ইরানের প্রতিনিধি দল পাকিস্তানে পৌঁছচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি রফা সূত্র মিলবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায়?
পাকিস্তানে নিযুক্ত তেহরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমি মোগাদ্দাম ঘোষণা করেছেন, ইরানের প্রতিনিধি দল পাক রাজধানীতে পৌঁছবেন এদিন রাতে। আলোচনা হবে ১০টি পয়েন্ট ধরে। এদিকে ওয়াশিংটন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরানের সঙ্গে তারাও কথা বলবে। আর সেজন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইসলামাবাদে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা যাচ্ছে, তাঁর সঙ্গে ইরানে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ ও জেয়ার্ড কুশনারও থাকবেন।
পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেস্কিয়ানও এই আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এও জানা যাচ্ছে, ইরানের প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্বে থাকবেন সেদেশের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। এদিকে এও জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার। এখন দেখার, এই আলোচনাগুলির মধ্যে দিয়ে যুদ্ধবিরতির দিকে স্থায়ীভাবে এগনো যায় কিনা।
ইরানের প্রতিনিধি দল পাক রাজধানীতে পৌঁছবেন এদিন রাতে। আলোচনা হবে ১০টি পয়েন্ট ধরে। এদিকে ওয়াশিংটন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরানের সঙ্গে তারাও কথা বলবে।
এদিকে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, “আমরা পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্য পক্ষ হিসেবে দেখি না।” তাঁর কথায়, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানকে বেছে নেওয়ার পিছনে আমেরিকার নিজস্ব কারণ থাকতে পারে। আজার বলেন, অতীতে হামাসের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছনোর জন্য আমেরিকা কাতার ও তুরস্কের মতো দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করেছে। তবে এ কথাও তিনি স্বীকার করেন, কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের জন্য ইজরায়েলের পক্ষে আমেরিকার সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখাটা জরুরি।
