সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিয়ে ঝোড়ো ইনিংস খেললেন অজিঙ্ক রাহানে। অধিনায়কের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইনিংস গড়লেন তরুণ তুর্কি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। কিন্তু কেকেআর ব্যাটিংয়ের হতশ্রী দশা লুকনো গেল না। রাহানের দাপটে একটা সময়ে মনে হচ্ছিল নাইটরা অবশ্যই দুশো পেরবে। লড়াই করার পুঁজি পাবেন কেকেআর বোলাররা। কিন্তু যাবতীয় আশায় জল ঢেলে দিলেন রিঙ্কু সিংরা। ২০ ওভার শেষে কোনওমতে ১৮০র গণ্ডি পেরল নাইটরা। চার উইকেট হারিয়ে কেকেআর তুলল ১৮১ রান।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে কেকেআর। প্রিয় ইডেনে প্রথম ওভার নিয়ে আসেন মহম্মদ শামি। গত ম্যাচে চার ওভারে মাত্র ৯ রানে তুলে নিয়েছিলেন জোড়া উইকেট। পরিসংখ্যানের নিরিখে বৃহস্পতিবারের ইডেনে পারফরম্যান্স অত ভালো নয়। কিন্তু এদিন আঁটসাট বোলিং করলেন তারকা পেসার। উইকেট না পেলেও চার ওভারে দিলেন মাত্র ২৭ রান। তাঁর তৈরি করা চাপের ফসল তুললেন প্রিন্স যাদবরা। লখনউয়ের দলগত উদ্যোগের সামনে আটকে গেল কেকেআরের ২০০ তোলার স্বপ্ন।
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফিন অ্যালেনের ঝোড়ো শতরান দেখে কেকেআর ভক্তরা আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন। কিন্তু নাইটদের জার্সিতে একেবারে মিইয়ে গিয়েছেন কিউয়ি ওপেনার। এদিন ৮ বল খেলে মাত্র ৯ রান করলেন। আউট হলেন প্রিন্সের বলে। তারপর ইডেনে রাহানে-রঘুবংশী শো। স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রবল সমালোচনার মধ্যে নাইট অধিনায়কের ব্যাট থেকে এল ২৪ বলে ৪১ রানের ইনিংস। জোড়া ছক্কার সঙ্গে চারটি বাউন্ডারি মারলেন। ৩৩ বলে ৪৫ রান করে গেলেন তরুণ অঙ্গকৃশ।
ইডেনে হাজির মোহনবাগান তারকা দিমিত্রি পেত্রাতোস এবং জেমি ম্যাকলারেন। ছবি: পিন্টু প্রধান।
কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টের ভরসা আরও একবার রাখতে ব্যর্থ রিঙ্কু। ৭ বল খেলে মাত্র ৪ রান এল তাঁর ব্যাট থেকে। ২৫ কোটি দামের প্রতি এদিন ব্যাট হাতে সুবিচার করতে পারলেন না ক্যামেরন গ্রিন। ২৪ বলে তাঁর সংগ্রহ মাত্র ৩২। একটা সময়ে রানের থেকে বলের সংখ্যা বেশি ছিল তাঁর। তবে শেষ লগ্নে নাইটদের উদ্ধারকর্তা হয়ে উঠলেন রভম্যান পাওয়েল। ২৪ বলে ৩৯ করে নাইটদের ১৮০র গণ্ডি পার করালেন। কিন্তু এই রানে কি ঋষভ পন্থদের বেঁধে রাখা যাবে? এদিন ম্যাচ দেখতে ইডেনে হাজির মোহনবাগান তারকা দিমিত্রি পেত্রাতোস এবং জেমি ম্যাকলারেন। তাঁদের কি জয় উপহার দেবে লখনউ সুপার জায়ান্টস?
