shono
Advertisement
Iran War

গুপ্ত সুড়ঙ্গে থরে থরে সাজানো ক্ষেপণাস্ত্র! সমরাস্ত্রের ঝলক দেখিয়ে ট্রাম্পের উদ্বেগ বাড়াল ইরান

মাটির নিচে লুকনো গোপন ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের ঝলক দেখালো ইরান। যেখানে থরে থরে সাজানো রয়েছে ভয়ংকর সব ক্ষেপণাস্ত্র। সেই ছবি দেখিয়ে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির দাবি, 'এটা হীমশৈলের চূড়ামাত্র'।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 07:42 PM Mar 23, 2026Updated: 08:46 PM Mar 23, 2026

আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ মার সামলে ভয়ংকর প্রত্যাঘাতের পথে হেঁটেছে ইরান। ইজরায়েলকে তছনছ করার পাশাপাশি তেহরানের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না ৪০০০ কিলোমিটার দূরে ভারত মহাসাগরে ব্রিটেনের ঘাঁটি দিয়োগো গার্সিয়া দ্বীপ। গোপনে ইরান যে নিজেদের সামরিক দক্ষতা এতটা বাড়িয়েছে তা ভাবতে পারেনি আমেরিকা-ইজরায়েল। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই এবার মাটির নিচে লুকনো গোপন ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের ঝলক দেখালো ইরান। যেখানে থরে থরে সাজানো রয়েছে ভয়ংকর সব ক্ষেপণাস্ত্র। সেই ছবি দেখিয়ে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির দাবি, 'এটা হীমশৈলের চূড়ামাত্র'।

Advertisement

‘ছোট্ট অভিযান’ বলে যে যুদ্ধ শুরু করেছিল আমেরিকা তা আজ ২২ দিনে পড়েছে। পরিস্থিতি যে এতখানি গুরুতর আকার নিতে পারে তা স্বপ্নেও ভাবেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর কার্যত ‘আহত বাঘে’ পরিণত হয়েছে ইরান (Iran War)। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন ইরানের সামরিক ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে আমেরিকার সেই ভ্রান্ত ধারনা ভেঙে দিয়ে দফায় দফায় চলছে হামলা। এই অবস্থাতেই ইরানের সংবাদমাধ্যমের তরফে যে ছবি সামনে আনা হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, ভূগর্ভস্থ গোপন সামরিক ঘাঁটিতে থরে থরে সাজানো ক্ষেপণাস্ত্র। যাকে 'হীমশৈলের চূড়া' বলে দাবি দাবি করা হয়েছে। বার্তা অত্যন্ত স্পষ্ট, ইরানকে দুর্বল ভাবলে বিরাট ভুল করবে আমেরিকা।

ইরানের সংবাদমাধ্যমের তরফে যে ছবি সামনে আনা হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, ভূগর্ভস্থ গোপন সামরিক ঘাঁটিতে থরে থরে সাজানো ক্ষেপণাস্ত্র। যাকে 'হীমশৈলের চূড়া' বলে দাবি করা হয়েছে।

সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, 'ট্টু প্রমিজ ৪' অভিযানের মাধ্যমে ইজরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে একসঙ্গে ৭৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা। আইআরজিসি জানিয়েছে, এই হামলায় তাদের মূল নিশানায় ছিল ইজরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও সৌদি আরবে প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটি। ইরানের শহিদ কমান্ডারদের সম্মানে চালানো হয়েছে এই হামলা। অভিযানে অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত মিসাইলের গোপন ভাণ্ডার।

অন্যদিকে, ইরানকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েও শেষে পিছু হঠতে দেখা গিয়েছে আমেরিকাকে। হরমুজ খোলার জন্য ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছিলেন ট্রাম্প। না হলে দেশটির সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। পালটা ইরানের তরফে জানানো হয়, শত্রুপক্ষ যদি কোনওভাবে ইরানের উপকূল বা কোনও দ্বীপে হামলা চালায় তবে সামরিক রীতি মেনেই পারস্য উপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলের সমস্ত প্রবেশপথে ল্যান্ডমাইন বিছানো হবে। এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিতেও একইভাবে হামলা চলবে। এই অবস্থায় সময়সীমা শেষ হতেই ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আপাতত পাঁচ দিন দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র হামলা চালানো হবে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement