shono
Advertisement
Pakistan

'মুনিরের কিছু হলে মানচিত্র থেকে মুছে যাবে ইজরায়েল', মোসাদের ষড়যন্ত্রের পালটা হুমকি পাকিস্তানের

ব্রাজিলের সাংবাদিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ পেপে এসকোবরের দাবি, সুইৎজারল্যান্ডে মুনিরকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল মোসাদ।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 06:36 PM Jun 25, 2026Updated: 06:36 PM Jun 25, 2026

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার মাঝেই ইজরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল পাকিস্তান। সুইৎজারল্যান্ডের বৈঠকে মোসাদের তরফে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির ও তাঁর দলকে হত্যার ষড়যন্ত্র সামনে আসতেই এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইসলামাবাদ। ইজরায়েলের তরফে মুনিরকে হত্যার ষড়যন্ত্রের চাঞ্চল্যকর এমনই দাবি করেছেন ব্রাজিলের এক সাংবাদিক। যদিও এই বিষয়ে ইজরায়েল বা পাকিস্তান কেউই মুখ খোলেনি।

Advertisement

ইরান-আমেরিকা প্রথম শান্তি আলোচনা হয়েছিল পাকিস্তানের রাজধানী শহরে। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ইরান-আমেরিকা ও মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত হন আল্পসের পাদদেশে জেনেভা শহরে। পাক সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের মতোই সেখানে ছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। ব্রাজিলের সাংবাদিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ পেপে এসকোবরের দাবি, সেখানেই মুনিরকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল মোসাদ। এক পডকাস্টের সাক্ষাৎকারে ওই সাংবাদিক বলেন, কোনওভাবে এই তথ্য পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার কাছে আসে। এরপর মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইজরায়েলকে পালটা হুমকি দেয় তারা। বলা হয়, "তোমরা যদি আসিম মুনির বা আমাদের প্রতিনিধিদলের কারও কোনও ক্ষতি করার চেষ্টা করো, তবে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ইজরায়েলকে মুছে দেওয়া হবে।"

পাকিস্তানের তরফে বলা হয়, "তোমরা যদি আসিম মুনির বা আমাদের প্রতিনিধিদলের কারও কোনও ক্ষতি করার চেষ্টা করো, তবে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ইজরায়েলকে মুছে দেওয়া হবে।"

এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় লেবানিজ-অস্ট্রেলিয়ান রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারিও নওফালের একটি পডকাস্ট থেকে। সেখানে সাক্ষাৎকার দেওয়া সাংবাদিক এসকোবার বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যকে উদ্ধৃত করে বেশ কিছু গুরুতর দাবি করেন। এসকোবারের মতে, পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কাছে নির্দিষ্ট তথ্য ছিল ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশ মোসাদ সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক রিসর্টে আসিম মুনির ও তাঁর প্রতিনিধি দলের সদস্যদের হত্যার ছক করছে। দাবি করা হয়েছে, এরপরই ওমানের মাধ্যমে ইজয়ারেলকে পালটা হুমকি দেয় পাকিস্তান। এরপর আর এই বিষয়ে অগ্রসর হয়নি মোসাদ।

উল্লেখ্য, ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান ও কাতার। সুইৎজারল্যান্ডে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান ও কাতারের প্রতিনিধিরা। সেখানে এই ধরনের কার্যকলাপের তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও ব্রাজিলের সাংবাদিকের এহেন দাবি পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলি। এক শীর্ষ আধিকারিকের উদ্ধৃতি তুলে ধরে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। পাক প্রধানমন্ত্রী ও সেনা প্রধানের সুইৎজারল্যান্ড নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছে। সেখানকার প্রশাসনের তরফে কোনওরকম নিরাপত্তা সতর্কতাও জারি হয়নি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement