গাজা যুদ্ধ থামলেও মধ্যপ্রাচ্য থেকে এখনও সরেনি যুদ্ধের কালো মেঘ। ইরান-আমেরিকা উত্তেজনার মাঝেই এবার লেবাননে ভয়ংকর হামলা চালাল ইজরায়েল (Israel Strikes Lebanon)। সন্ত্রাসী সংগঠন হেজবোল্লাকে নিশানা করে করে চলল ভয়ংকর এয়ারস্ট্রাইক। শনিবার হেজবোল্লার তরফে এই হামলার কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই হামলায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
নাম না প্রকাশের শর্তে হেজবোল্লার এক আধিকারিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে উত্তর-পূর্ব লেবাননের রয়াক গ্রামের পাশে বহুতল লক্ষ্য করে এই হামলা চলে। হামলার জেরে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যেখানে এই হামলা চলে সেই ইমারত কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। শনিবার ইজরায়েল সেনার তরফে জানানো হয়েছে, লেবাননের বালবেক অঞ্চলে হেজবোল্লার তিনটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চলে। এই হামলায় ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের একাধিক কমান্ডারের মৃত্যু হয়েছে। ইজরায়েলের দাবি, এই ইউনিট ইজরায়েলে হামলার পরিকল্পনা ও নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করছিল। মৃতদের মধ্যে ৩ জন হেজবোল্লার স্থানীয় কমান্ডার বলে জানা গিয়েছে।
মৃতদের তালিকায় রয়েছেন হুসেন ইয়াঘি। ইয়াঘি নামে এক কমান্ডার হেজবোল্লার শীর্ষ নেতা তথা প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ ইয়াঘির পুত্র। ২০২৩ সালে ইজরাইয়েলের হামলায় মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ইজরায়েলের হামলায় ১০ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি ৩ শিশু-সহ ২৪ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের রায়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মৃতদের তালিকায় রয়েছেন হুসেন ইয়াঘি। ইয়াঘি নামে এক কমান্ডার হেজবোল্লার শীর্ষ নেতা তথা প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ ইয়াঘির পুত্র। ২০২৩ সালে ইজরাইয়েলের হামলায় মৃত্যু হয়েছিল তাঁর।
একদিকে লেবাননে যখন ইজরায়েলের হামলা চলছে অন্যদিকে ভয়ংকর যুদ্ধের আশঙ্কায় ইরান। যে কোনও মুহূর্তে আমেরিকার তরফে ইরানে হামলা চালানো হতে পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। এরইমাঝে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরান। দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং মোল্লাতন্ত্রের পতন চেয়ে পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও। প্রত্যেকের মুখে একটাই স্লোগান – ‘খুনি শাসকের মৃত্যু হোক।’
