shono
Advertisement
Iran

‘খুনি শাসকের মৃত্যু হোক’, সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে ফের উত্তাল ইরান, প্রতিবাদে শামিল পড়ুয়ারাও

বিক্ষোভের একাধিক ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে (যদিও সেই ভিডিও এবং ছবির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ইরানের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে এই বিক্ষোভ। প্রত্যেকের হাতে দেশের জাতীয় পতাকা। মুখে সরকার-বিরোধী স্লোগান।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 11:25 AM Feb 22, 2026Updated: 11:25 AM Feb 22, 2026

সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে ফের উত্তাল ইরান। দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং মোল্লাতন্ত্রের পতন চেয়ে পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও। প্রত্যেকের মুখে একটাই স্লোগান - ‘খুনি শাসকের মৃত্যু হোক।’

Advertisement

বিক্ষোভের একাধিক ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে (যদিও সেই ভিডিও এবং ছবির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ইরানের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে এই বিক্ষোভ। প্রত্যেকের হাতে দেশের জাতীয় পতাকা। মুখে সরকার-বিরোধী স্লোগান। তেহরানের শরিফ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির ছাত্রছাত্রীরা সরাসরি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। অন্যদিকে, বিক্ষোভ দমাতে পথে নেমেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড। দেশজুড়ে ফের তাদের দমন পীড়ন শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ।

উল্লেখ্য, ১৯৩৯ সালে ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ আলি খামেনেইয়ের। ক্রমশ তৎকালীন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা রুহোল্লাহ খোমেইনির ছায়াসঙ্গী হয়ে ওঠেন তিনি। ইরানে তখন শাহ বংশের শাসন। পশ্চিমী দুনিয়া ঘেঁষা রাজবংশের হাত ধরে তেহরানে তখন ‘ইরান বসন্ত’। স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছেন মহিলারা। কট্টরপন্থী মানসিকতা ছুড়ে ফেলে পশ্চিমী হাওয়ায় গা ভাসিয়ে তরতরিয়ে এগিয়ে চলেছে ইরান। ইজরায়েল তখন বন্ধু দেশ। কিন্তু কথায় আছে, ‘চিরদিন কারোর সমানও নাহি যায়’। স্বজনপোষণ, দুর্নীতি, বিরোধীদের কণ্ঠস্বর দমন-সহ একাধিক অভিযোগে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে ইরান। পথে নামে আমজনতা। সেই সুযোগে মোল্লাতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় হয় ইসলামিক উগ্রপন্থীরা। শাহ দেশ ছাড়েন ১৯৭৯ সালে। খোমেইনির হাত ধরে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশে প্রতিষ্ঠিত হয় মোল্লাতন্ত্র। মাথায় বসেন খোমেইনি। সেই সময় তাঁর ছায়াসঙ্গী ছিলেন বর্তমান ‘আয়াতোল্লা’। বিরোধীরা ১৯৮১ সালে খামেনেইকে খতম করার ছক কষেছিল। সেই হামলায় ডানহাতের কর্মক্ষমতা হারান খামেনেই। ১৯৮৯ সালে খোমেইনির মৃত্যুর পর সুপ্রিম লিডার হয়ে ওঠেন তিনি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement