চলতি সপ্তাহের শেষেই পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিএনএন’ সূত্রে তেমনটাই জানা যাচ্ছে। এর পরই জল্পনা তৈরি হয়েছে, তাহলে কি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় থামছে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ?
বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “ভাইস প্রেসিডেন্ট আমাদের প্রশাসনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তিনি প্রেসিডেন্টের ‘ডান হাত’ এবং প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা দলের প্রধান সদস্য। প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাতেই তিনি উপস্থিত থাকেন।” তবে ভ্যান্সের পাক সফর নিয়ে স্পষ্ট করে লেভিট কিছুই বলেননি। যদিও সিএনএন-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে চাইছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। সেই লক্ষ্যেই সপ্তাহান্তে পাকিস্তানে একটি বৈঠকের আয়োজনের চেষ্টা চলছে। সেখানে উপস্থিত থাকার কথা ভ্যান্সের।
চার সপ্তাহেরও বেশি রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ইরানকে ১৫ দফা শর্ত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সূত্রের খবর, ট্রাম্প প্রশাসনের ওই প্রস্তাব পাকিস্তানই পৌঁছে দিয়েছিল ইরানের কাছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে হঠাৎই গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হয়ে উঠেছে শাহবাজ শরিফ সরকার। মূলত ইসলামাবাদের মাধ্যমেই উভয়পক্ষ বার্তা আদান-প্রদান করছে। এমনকী আগামী দিনে পাকিস্তানের মাটিতে আলোচনার টেবিলে বসতে পারে বিবাদমান দুই দেশ - একথা জনিয়েছেন খোদ পাক প্রধানমন্ত্রী। শাহবাজের এই প্রস্তাবে নাকি সায়ও দিয়েছেন ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের পাক সফরের বিষয়টি প্রকাশ্যে এল।
