২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও শেষপর্যন্ত পুরস্কার জোটেনি। সেটা পান ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো। তিনি নিজের জেতা নোবেল তুলে দিয়েছিলেন ট্রাম্পের হাতে! যা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। প্রশ্ন ওঠে, এভাবে কি একজনের নোবেল অন্যজনকে দিয়ে দেওয়া যায়? কয়েক মাসের মধ্যে ফের ট্রাম্প ও নোবেল একসঙ্গে উচ্চারিত হল। এবার তা উচ্চারণ করলেন এক রিপাবলিকান সেনেটর। দাবি করলেন, ট্রাম্প এমন একটি অসম্ভব কাজ করতে চলেছেন, যা করতে পারলে নোবেল পুরস্কারের নামটাই বদলে ট্রাম্প পুরস্কার করে দেওয়া উচিত।
ফক্স নিউজের সঙ্গে কথা বলার সময় লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, ''ট্রাম্প যদি সমস্ত আরব রাষ্ট্রকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিতে রাজি করাতে সক্ষম হন, তবে তা হবে মধ্যপ্রাচ্যের আধুনিক ও প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। যদি তিনি এই অসাধ্য সাধন করতে পারেন, অর্থাৎ সৌদি আরবকে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে রাজি করাতে পারেন তবে সহস্রাব্দ ধরে চলা আরব-ইজরায়েল সংঘাতের অবসান হবে। সেক্ষেত্রে নোবেল পুরস্কারের নাম পরিবর্তন করে ট্রাম্প পুরস্কার রাখা উচিত।''
ফের ট্রাম্প ও নোবেল একসঙ্গে উচ্চারিত হল। এবার তা উচ্চারণ করলেন এক রিপাবলিকান সেনেটর। দাবি করলেন, ট্রাম্প এমন একটি অসম্ভব কাজ করতে চলেছেন, যা করতে পারলে নোবেল পুরস্কারের নামটাই বদলে ট্রাম্প পুরস্কার করে দেওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত, আব্রাহাম অ্যাকর্ড হল আমেরিকার মধ্যস্থতায় ২০২০ সালে শুরু হওয়া একাধিক চুক্তি, যার লক্ষ্য ইজরায়েল এবং বেশ কয়েকটি আরব ও মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। ইরান যুদ্ধ শেষে মুসলিমপ্রধান দেশগুলিকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এদিকে এই অ্যাকর্ড যদি পাকিস্তান এবং ইরানের মতো দেশগুলির প্রশাসন মেনে নেয়, তাহলে নিজের দেশেই জনরোষে পড়তে হবে তাদের। বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফের মন্তব্য, ট্রাম্পের প্রস্তাব পাকিস্তানের ‘মৌলিক আদর্শ’ বিরোধী। এহেন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের সফল হওয়া যে অত্যন্ত কঠিন তা মানছেন বিশেষজ্ঞরা।
