জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়েছিল ভারতীয় সেনা। সেই অভিযানে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডে অন্তত ৯টি জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল তারা। জবাবে পাকিস্তান প্রত্যাঘাত করতে যেতেই তাদের সামরিক ঘাঁটি, বায়ুসেনা ঘাঁটিও ধ্বংস করে ভারতের সেনা। যার মধ্যে অন্যতম ছিল বায়ুসেনা ঘাঁটি নূর খান (Nur Khan Air Base)। সেই নূর খান এবার কার্যত দুর্গে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক এক উপগ্রহের চিত্রে এমনই দৃশ্য দেখা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটি এই নূর খান। এই ঘাঁটি ইসলামাবাদ থেকে মাত্র ২৫ কিমি দূরেই অবস্থিত। ফলে রণকৌশলগত দিক থেকেও এই পাক বায়ুসেনা ঘাঁটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। অপারেশন সিঁদুরের পরবর্তীতে সেই ঘাঁটিকেই টার্গেট করে ভারত। ব্রহ্মস মিসাইলে গুঁড়িয়ে যায় পাক বায়ুসেনার ‘মেরুদণ্ড’। হামলা পরবর্তীতে যে স্যাটেলাইট ছবি সামনে আসে, তাতে স্পষ্ট দেখা যায় যে নূর খান এয়ারবেসের রানওয়েতে বড় বড় গর্ত হয়ে গিয়েছে। এমনকী আশেপাশের একাধিক বাড়িতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের সামরিক ঘাঁটি, বায়ুসেনা ঘাঁটি ধ্বংস করে ভারতীয় সেনা। যার মধ্যে অন্যতম ছিল বায়ুসেনা ঘাঁটি নূর খান। সেই নূর খান এবার কার্যত দুর্গে পরিণত হয়েছে।
সদ্য সেই ঘাঁটি মেরামত করেছে পাক সেনা। কিন্তু এরপর আফগান হামলায় গুঁড়িয়ে যায় সেই ঘাঁটি। কিন্তু এবার সতর্ক হয়েছে পাকিস্তান। বলা যায়, ফের কোনও হামলার ধাক্কায় গুঁড়িয়ে যাওয়ার আতঙ্কে থরথর করে কাঁপছে পাক সেনা। আর তাই পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের নির্দেশে এবার নূর খান জুড়ে বেশ কিছু মজবুত ও সুরক্ষিত হ্যাঙ্গার নির্মাণ করা হয়েছে। ভূ-গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞ ড্যামিয়েন সাইমন যে ছবি প্রকাশ করেছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে এটা কোনও সাধারণ নির্মাণকাজ নয়। বরং তা পাক বায়ুসেনার বিমান বহরকে প্রতিপক্ষের (পড়ুন ভারত) আক্রমণের হাত থেকে বাঁচাবে। এই দৃশ্য থেকেই পরিষ্কার, পাকিস্তান কতটা ভীত। অপারেশন সিঁদুর যে তাদের মেরুদণ্ডই ভেঙে দিয়েছে তা আবারও পরিষ্কার হয়ে গেল।
