shono
Advertisement
Prince Harry

'ত্যাজ্য' করেছে রাজপরিবার, ৬ বছর পর ব্রিটেনে ফিরে হ্যারি-মেগানকে কত কর দিতে হচ্ছে?

রাজপরিবারের কোনও সুবিধাই পাবেন না কিং চার্লসের ছোট ছেলে। এমনকী সুরক্ষার খরচও দিতে হবে নিজেদের।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 07:47 PM Aug 23, 2026Updated: 08:04 PM Aug 23, 2026

রাজপরিবার মানেই হাজার রসালো গল্প! ব্রিটিশ রাজা চার্লসের পরিবার হলে তো সেই কাহিনি আরও বেশি। এবার তাদের অন্দর-কথায় নতুন সংযোজন, পরিবারের 'ত্যাজ্য' ছোট ছেলে হ্যারি ও বউমা মেগান মর্কেল ব্রিটেনে ফিরে আসা। ঝগড়াঝাঁটির জেরে বিয়ের পর ব্রিটিশ রাজপরিবার ছেড়েছিলেন ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি। 'রাজকীয়' তকমাও হেলায় ত্যাগ করেছিলেন হ্যারি ও স্ত্রী মেগান। ব্রিটেন ছেড়ে আমেরিকায় পাড়ি জমান তাঁরা। দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে ৬ টা বছর ক্যালিফোর্নিয়ায় কেটেছিল ডিউক অ্যান্ড ডাচেস অফ সাসেক্সের। কিন্তু বাবা অর্থাৎ রাজা চার্লসের অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন ছোট ছেলে বাবার সঙ্গে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। দিন দুই আগে তাঁরা ফিরেওছেন ব্রিটেনে। আর এখানেই নতুন কাহিনির সূত্রপাত। রাজপরিবারের সদস্য তো তাঁরা আর নন। তার উপর আমেরিকা ফেরত। ফলে বিপুল করের বোঝা চেপেছে হ্যারি-মেগানের উপর। অঙ্কটা কমবেশি ৬০ মিলিয়ন অর্থাৎ ৬ কোটি ডলার!

Advertisement

ব্রিটেনের ত্যাজ্য রাজপুত্র হ্যারি ও স্ত্রী মেগান। ছবি: সোশাল মিডিয়া

জানা গিয়েছে, হ্যারি আমেরিকায় থাকলেও সেখানকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেননি। তাই করের আওতায় ছিলেন না। কিন্তু মেগান মর্কেল মার্কিন নাগরিক।ক্যালিফোর্নিয়ায় তাঁর জন্ম। ফলে তাঁকে আমেরিকার যাবতীয় কর তো দিতে হবেই, গ্লোবাল ব্র্যান্ড নেটফ্লিক্স ও স্পটিফাইয়ের ব্যবসায়িক অংশীদার হয়েছিলেন মেগান। সেখান থেকে আয় বাবদ কর তাঁকে দিতে হবে ব্রিটেনে ফিরে আসায়। সবমিলিয়ে অঙ্কটা ৬ কোটি ডলার।

ব্রিটেনের করকাঠামো খানিকটা আলাদা। টানা ১০ বছর ইংল্যান্ডের বাইরে কেউ থাকলেও তিনি কর দিতে পারেন এবং সেক্ষেত্রে ফিরে এলে করছাড়ে কিছুটা সুবিধা পাবেন। কিন্তু হ্যারি-মেগানরা ৬ বছর আমেরিকায় থাকায় কোনও করও দেননি। তাই ধরে নেওয়া হয়েছে, ব্রিটেনে তাঁদের যাবতীয় সম্পত্তির উপর অধিকার ছেড়ে গিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মত এমনই। আবার সম্প্রতি আরও একটি নিয়ম চালু হয়েছে। ৫ বছর বাইরে থাকলে ফিরে এসে তিনি দেশের করকাঠামোর সুযোগ পাবেন। কিন্তু হ্যারি ৬ বছর ছিলেন আমেরিকায়। তাই তাঁর ক্ষেত্রে কোনও সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। তার উপর আমেরিকা থাকাকালীন মেগান নেটফ্লিক্স ও স্পটিফাইয়ের ব্যবসায়িক অংশীদার হয়েছিলেন। সেখান থেকে আয় বাবদ কর তাঁকে দিতে হবে ব্রিটেনে ফিরে আসায়।

জানা গিয়েছে, হ্যারি আমেরিকায় থাকলেও সেখানকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেননি। তাই করের আওতায় ছিলেন না। কিন্তু মেগান মর্কেল মার্কিন নাগরিক। ক্যালিফোর্নিয়ায় তাঁর জন্ম। ফলে তাঁকে আমেরিকার যাবতীয় কর তো দিতে হবেই, গ্লোবাল ব্র্যান্ড নেটফ্লিক্স ও স্পটিফাইয়ের ব্যবসায়িক অংশীদার হয়েছিলেন মেগান। সেখান থেকে আয় বাবদ কর তাঁকে দিতে হবে ব্রিটেনে ফিরে আসায়। সবমিলিয়ে অঙ্কটা ৬ কোটি ডলার।

তার উপর রয়েছে নিজেদের সুরক্ষার খরচ, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা। শোনা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ছেলে প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটকে ব্রিটেনের এক স্কুলে ভর্তির জন্য অর্থ দিয়েছেন হ্যারি-মেগান। এখন তাঁরা বাকিংহাম প্যালেসে থাকতে পারবেন না। এমনকী দেশে রাজপরিবারের র কোনও সম্পত্তিও ব্যবহার করতে পারবেন না। আপাতত লন্ডনের বাইরে মন্টেসিটোয় নিজেদের মাথা গোঁজার ব্যবস্থা করেছেন ডিউক অ্যান্ড ডাচেস অফ সাসেক্স। হ্যারির শুধু একটাই ইচ্ছা, অসুস্থ বাবার কাছাকাছি থাকবেন। এই সাহচর্যের কাছে আর ৬ কোটি ডলার কী এমন!

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement