আড়াল থেকে ছায়াযুদ্ধ আর নয়। ইরানের হাতে মার খেয়ে এবার পালটা মার দিতে শুরু করল মধ্যপ্রাচ্যের আরও এক দেশ সৌদি আরব (Saudi Arabia)। দেশটির তৈল ঘাঁটিতে হামলার পালটা এবার ইরাকে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে। এই অভিযানে সৌদি আরবের সঙ্গে ছিল আমেরিকাও। ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর পর সৌদি আরবের তরফে জানানো হয়েছে, আত্মরক্ষার্থেই এই হামলা চালিয়েছে তারা। তবে ইরানের বন্ধুর উপর এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আরও ভয়ংকর দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে সৌদি আরবের তরফে জানানো হয়েছিল, গত ৭২ ঘণ্টায় দেশটির তৈল স্থাপনাগুলিতে ৩০টিরও বেশি ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছে। এর জেরেই, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এবং সৌদি বিমান বাহিনী ইরাকে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির অস্ত্র ও রসদের ঘাঁটিগুলিতে সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, তারা রাষ্ট্রসংঘের ৫১ নং অনুচ্ছেদের 'আত্মরক্ষার অধিকার' আইনকে ব্যবহার করে এই পদক্ষেপ করেছে। পাশাপাশি ইরানকে বার্তা দিয়ে রিয়াধ জানিয়েছে, তারা এই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা চায় না। যদি তাদের তেল স্থাপনায় হামলা বা কোনও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয় তবে কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত সৌদি।
রিয়াধ জানিয়েছে, তারা এই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা চায় না। যদি তাদের তেল স্থাপনায় হামলা বা কোনও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয় তবে কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত সৌদি।
আমেরিকার তরফে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করেছে ইরান। এই যুদ্ধে এতদিন আত্মরক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি। তবে সেই ধারা সম্প্রতি ভেঙে গিয়েছে। কুয়েতের জল শোধনাগারে হামলার পর পালটা হামলা হয়েছে ইরানে। জানা গিয়েছে, সৌদি আরবের সাহায্যে ইরানের মিসাইল স্টোরেজ ও অন্য সেনাঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে কুয়েত ও বাহরিন। এই হামলায় সৌদি আরব আড়ালে থাকলেও এবার ইরাকে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর উপর তাদের হামলা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ব্যাপক বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
