পাকিস্তানের মাটিতে ফের নিকেশ ভারতশত্রু। অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের হামলায় মৃত্যু হল হাফিজ সইদের ঘনিষ্ঠ শীর্ষ লস্কর জঙ্গি শেখ ইউসুফ আফ্রিদি। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে এই হামলা চলে। আফ্রিদিকে গুলিতে ঝাঁজরা করে এলাকা থেকে চম্পট দেয় আততায়ী। কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীর কোনও সন্ধান পায়নি পাক পুলিশ।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে, শেখ ইউসুফ আফ্রিদি লস্কর-ই-তইবা জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার। লস্কর প্রধান হাফিজ সইদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং তার সহযোগী। জানা যায়, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে লস্করের সংগঠনের প্রধান ছিল আফ্রিদি। মূলত এখান থেকে মুজাহিদদের (আত্মঘাতী জঙ্গি) প্রশিক্ষণ দিয়ে কাশ্মীর-সহ অন্যান্য জায়গায় পাঠানোর দায়িত্ব ছিল এর উপরেই। বহুবার হাফিজ সইদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা এই আফ্রিদিকে। তার মৃত্যু ভারতের জন্য যে বিরাট স্বস্তি তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
শেখ ইউসুফ আফ্রিদি লস্কর-ই-তইবা জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার। লস্কর প্রধান হাফিজ সইদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং তার সহযোগী। জানা যায়, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে লস্করের সংগঠনের প্রধান ছিল আফ্রিদি।
পাক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। হামলাকারীদের সন্ধান চলছে। এখনও পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনও সংগঠন। উল্লেখ্য সাম্প্রতিক সময়ে পাকভূমে অজ্ঞাত বন্দুকবাজের হামলায় মৃত্যু হয়েছে একাধিক ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসীর। আড়ালে থাকা এই হামলাকারীদের হিরো হিসেবে গণ্য করছে ভারতে জনগণ।
সম্প্রতি 'ধুরন্ধর' সিনেমা প্রকাশ্যে আসার পর মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন 'র' (RAW)-এর এজেন্টরা পাকিস্তানের মাটিতে বসে ভারতের স্বার্থে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে চলেছেন। তবে, এই বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, ভারত কোনও দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে না এবং কোনও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িত নয়।
