shono
Advertisement
Ukraine

জল কিংবা খাদ্যের প্রয়োজন পড়ে না! রাশিয়াকে ‘মারতে’ এবার যুদ্ধক্ষেত্রে ‘যন্ত্রসেনা’ নামাল ইউক্রেন

প্রায় চার বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। পশ্চিমের দেশগুলি কিয়েভকে বিভিন্ন সামরিক সাহায্য করলেও সংকট কাটেনি ইউক্রেনের। দীর্ঘ যুদ্ধে মৃত্যু হয়েছে তাদের প্রচুর সেনারও। সে কারণেই ‘যন্ত্রসেনা’র উপর আস্থা রেখেছে কিয়েভ। সামরিক শক্তির বিচারে রাশিয়ার থেকে অনেকটাই পিছনে ইউক্রেন। কিন্তু তবুও চোখে চোখ রেখে লড়াই করছে তারা। এই পরিস্থিতিতে মানবসৈন্যের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রযুক্তিনির্ভর কৌশলের উপর জোর দিচ্ছে কিয়েভ।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 01:53 PM May 31, 2026Updated: 01:54 PM May 31, 2026

প্রয়োজন পড়ে না জল কিংবা খাদ্যের। ক্লান্তিরও প্রশ্ন নেই। তবু দিনের পর দিন যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম। রাশিয়াকে শায়েস্তা করতে এবার যুদ্ধক্ষেত্রে ‘যন্ত্রসেনা’ নামাল ইউক্রেন! দূর থেকেই বিশেষ এই কমান্ডোদের নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যুদ্ধের ময়দানে কৌশল ঠিক করতে, শত্রুপক্ষকে কোণঠাসা করতে - সব কিছুতেই পারদর্শী এই ‘যন্ত্রসেনা’। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমর ক্ষেত্রে এহেন  প্রযুক্তি শুধু যুদ্ধের কৌশলই বদলে দিচ্ছে না, বরং ভবিষ্যতে যুদ্ধ কেমন হবে তারও ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Advertisement

একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রক্ত-মাংসের সেনার সংকট এবং দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের চাপে একাধিক সমস্যায় পড়েছে ইউক্রেন। তাই যুদ্ধক্ষেত্রে আর হাতে অস্ত্র নিয়ে ছুটে চলা নয়। কম্পিউটারের পর্দার সামনে বসেই পরিচালিত হচ্ছে হামলা। তাই রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ড্রোন, রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর অস্ত্র ব্যবহারের উপরই জোর দিচ্ছে কিয়েভ। তারা ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে উঠছে তথাকথিত ‘যন্ত্রসেনা’র উপর। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিএনএন’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে লাইভস্ট্রিম, নজরদারি ড্রোন এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রিত অস্ত্রের সাহায্যে রাশিয়ার উপর আঘাত হানছে ইউক্রেন।

প্রায় চার বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। পশ্চিমের দেশগুলি কিয়েভকে বিভিন্ন সামরিক সাহায্য করলেও সংকট কাটেনি ইউক্রেনের। দীর্ঘ যুদ্ধে মৃত্যু হয়েছে তাদের প্রচুর সেনারও। সে কারণেই ‘যন্ত্রসেনা’র উপর আস্থা রেখেছে কিয়েভ। সামরিক শক্তির বিচারে রাশিয়ার থেকে অনেকটাই পিছনে ইউক্রেন। কিন্তু তবুও চোখে চোখ রেখে লড়াই করছে তারা। এই পরিস্থিতিতে মানবসৈন্যের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রযুক্তিনির্ভর কৌশলের উপর জোর দিচ্ছে কিয়েভ।

জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের এই 'যন্ত্রসেনা'র আওতায় রয়েছে উচ্চ-ক্ষমতা সম্পন্ন ড্রোন, চালকবিহীন স্থলযান, দূর থেকে নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র এবং বিভিন্ন স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধব্যবস্থা। সমর বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার বৃহত্তর সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই প্রযুক্তিগুলিই ইউক্রেনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুবিধা এনে দিচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement