নয়া সুপ্রিম লিডার হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি অন্তরালে। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন গোয়েন্দারা। তাঁদের দাবি, গোপন বাঙ্কারে লুকিয়ে আছেন ইরানের সুপ্রিম লিডার। বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ নেহাতই সীমিত। জটিল কোনও কুরিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বার্তা আদানপ্রদান করা হচ্ছে।
দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানাচ্ছেন, আমেরিকার পাঠানো শান্তি প্রস্তাবের যে কোনও খসড়া সেই কারণে মোজতবার কাছে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। এবং উত্তর আসতেও সময় লাগছে। কারণ আর কিছুই নয়, জটিল যোগাযোগের পথ! এমনকী, ইরানের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদেরও যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে মোজতবা পর্যন্ত পৌঁছতে। কিন্তু ঠিক কোথায় এখন মোজতবার আস্তানা? সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে মুখ খুলতে রাজি হননি হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র।
মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন গোয়েন্দারা। তাঁদের দাবি, গোপন বাঙ্কারে লুকিয়ে আছেন ইরানের সুপ্রিম লিডার। বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ নেহাতই সীমিত।
কয়েকদিন আগেই ইরানের একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, মোজতবা এখন অনেকটাই সুস্থ। তাঁর শরীরে যে ক্ষত ছিল সেগুলি সেরে গিয়েছে। তার হাঁটুতে সামান্য আঘাত রয়েছে। সেটিও শীঘ্রই সেরে যাবে। এছাড়া তাঁর কানেও সামান্য আঘাত রয়েছে। সেগুলি ছাড়া মোজতবার আর কোনও সমস্যা নেই। শত্রুরা ক্রমাগত গুজব ছড়াচ্ছে। আসলে তারা তাঁকে খুঁজছে। কিন্তু সন্ধান পাচ্ছে না। ইরানের সুপ্রিম লিডারকে নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষও। কিন্তু তাঁদের ধৈর্য ধরা উচিত। তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়। সঠিক সময়ে তিনি জনসমক্ষে আসবেন।
এদিকে এও জানা যাচ্ছে, ফের মোজতবার উপরে হামলা হতে পারে এই আশঙ্কায় ইরানও যথেষ্ট সতর্ক থাকছে। উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও অনেকে নাকি জানেন না কোথায় আছেন মোজতবা। এও জানা গিয়েছে, ইরানের সুপ্রিম লিডার কেবলই বড় নির্দেশগুলি দিচ্ছেন। পাশাপাশি কোন বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে, এবং কোন বিষয়গুলি নিয়ে আপাতত আলোচনা করা হবে না, তাও অন্তরালে বসে ঠিক করছেন তিনিই।
