ইরানের অন্তত ১৫ হাজার ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। তেহরানের বড় নেতারা সব আন্ডারগ্রাউন্ডে ঘাপটি মেরে বসে আছে। এদিকে সেদেশের নতুন 'সুপ্রিম লিডার' মোজতবা খামেনেইও গুরুতর জখম। এমনই দাবি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের। তিনি বলেছেন, ''ইরানের লিডারশিপ আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গিয়েছে। আমাদের বায়ুসেনা ও ইজরায়েলের বায়ুসেনা মিলে ইরানের ১৫ হাজারেরও বেশি স্থানে হামলা চালিয়েছে। প্রতিদিনের হিসেবে তা এক হাজারেরও বেশি।''
ওই সংবাদ সম্মেলনে পিট আরও জানান, মোজতবা গুরুতর জখম। সম্ভবত তাঁর মুখও ক্ষতবিক্ষত হয়ে গিয়েছে হামলায়। যদিও একদিন আগেই তেহরানের তরফে মোজতবার বিবৃতি পেশ করা হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যাবতীয় সামরিক ঘাঁটি বন্ধ রাখতে হবে। নয়তো সেখানে হামলা হবেই। শত্রুদের থেকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ নেবে ইরান, এমনটাও জানিয়েছেন মোজতবা। কিন্তু সেটা আদৌ তাঁর বয়ান কিনা প্রশ্ন উঠছে। মোজতবা কোমায় রয়েছেন বলেই গুঞ্জন। এদিন পিটও জানালেন তাঁর গুরুতর চোটের বিষয়ে। এদিকে শুক্রবার সকালে ইরানে ফের বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। ইহুদি সেনার পরপর গোলাবর্ষণে কেঁপে ওঠে রাজধানী তেহরান। এছাড়াও সিরাজ এবং আহভাজ শহরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে মোজতাবার স্ত্রী এবং আট বছরের পুত্রেরও। তবে সেই হামলায় মোজতবার আহত হওয়ার খবর সামনে আসে। সংবাদ মাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, মার্কিন হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন মোজতাবা। বর্তমানে তিনি কোমায় রয়েছেন। একটি পা-ও হারিয়েছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, তাঁর যকৃৎ এবং পাকস্থলীও নাকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে রাজধানী তেহরানের একটি হাসপাতালে মোজতাবা চিকিৎসাধীন।
