আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দিয়েছে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে, 'মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা'। জানা যাচ্ছে বড়সড় আটা ঘাটতির মুখে পড়তে চলেছে ইসলামাবাদ। মার্কিন কৃষি দপ্তর একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত বছরের তুলনায় এবার পাকিস্তানে ২০ থেকে ২২ লক্ষ টন গম উৎপাদন কম হতে চলেছে।
আর এই রিপোর্ট ঘিরে আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়েছে। সেদেশের অধিকাংশ মানুষই গমকে তাঁদের প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করেন। রুটি, পাঁউরুটি, নান ও অন্যান্য গম-নির্ভর খাদ্যবস্তু থাকে পাকিস্তানিদের নিয়মিত খাদ্য তালিকায়। এবার পরিস্থিতি এমনই যে, যুদ্ধের বাজারে পেটে কিল পাকিস্তানের। পাকিস্তানে প্রতি বছরই প্রচুর পরিমাণে ভাত ও ভুট্টা আমদানি করে অন্য দেশ থেকে। কিন্তু ঘরোয়া উৎপাদনে তারা গমেই আত্মনির্ভর। এই পরিস্থিতিতে একলাফে ২০ লক্ষ টন উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিলে তা সরাসরি প্রভাব ফেলবে দেশের ফসলের বাজারে।
মার্কিন কৃষি দপ্তর একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত বছরের তুলনায় এবার পাকিস্তানে ২০ থেকে ২২ লক্ষ টন গম উৎপাদন কম হতে চলেছে।
প্রসঙ্গত, এমন এক সময়ে পাকিস্তানে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হল যখন দেশটিতে যুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। আফগানিস্তানের বেশ কয়েকটি এলাকায় আকাশপথে হামলা চালিয়েছে পাক ফৌজ। শুক্রবার কাবুল এবং কান্দাহারে হামলা চালায় তারা। আর এরপরই পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ ঘোষণা করেন, এবার আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সরাসরি যুদ্ধ হবে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধকে ‘অপারেশন গজব লিল হক’ নাম দিয়েছে ইসলামাবাদ। তাদের দাবি, পাক হামলায় ১৩৩ জন আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে আফগানিস্তানের দাবি, ৫৫ জন পাক সেনাকে খতম করেছে তারা। সব মিলিয়ে যুদ্ধের মেঘ ক্রমেই কালো হচ্ছে। এই অবস্থায় গমের ঘাটতি ঘিরে তৈরি হল নয়া আতঙ্ক।
