আগামী ১৬ জুলাই রথযাত্রা। স্নানযাত্রার পর সুস্থ হয়ে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা পাড়ি দেবেন মাসি গুণ্ডিচার বাড়ি। ওড়িশার পাশাপাশি বাংলার নানা প্রান্তে হইহই রব। একবার রথের রশি ছোঁয়ার জন্য আবেগে ভাসে ভক্তকূল। কথিত আছে, রথের রশি নাকি অত্যন্ত শুভ। তা একবার স্পর্শ করা মানে সমস্ত বিপদআপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী আবার চারটি রাশির জাতক-জাতিকারা জগন্নাথদেবের অত্যন্ত প্রিয়। প্রভুই যেন তাঁদের আগলে রাখেন। রথযাত্রার আগে জেনে নিন কারা প্রভুর প্রিয়।
বৃষ স্বভাবতই অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ও পরিশ্রমী। সাফল্য না আসা পর্যন্ত তারা লক্ষ্যে অবিচল থাকে। প্রভু জগন্নাথদেবের অত্যন্ত প্রিয় বৃষ রাশির জাতক-জাতিকারা। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, প্রভুর আশীর্বাদে এই রাশির জাতক-জাতিকারা প্রায় সর্বত্র সাফল্যের শিখরে পৌঁছয়।
কর্কট রাশির জাতক জাতিকারা আবার অত্যন্ত আবেগপ্রবণ। তাই তাঁরা বিপদে আপদে সকলের পাশে থাকেন। এই স্বভাবের জন্য নাকি কর্কট রাশির জাতক-জাতিকারা প্রভু জগন্নাথের অত্যন্ত প্রিয়। এদের কেরিয়ার থেকে দাম্পত্য কোনও কিছুতেই নাকি বাধা পেতে হয় না। সবেতেই ব্যাপক উন্নতি হয় জাতকদের।
জগন্নাথদেবের অত্যন্ত প্রিয় রাশি সিংহ। কারণ, এই রাশির জাতক জাতিকারা অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাই তাঁরা লক্ষ্যপূরণের জন্য পরিশ্রম করতে পিছপা হন না। প্রভুর আশীর্বাদে পরিশ্রম সার্থক হয় তাঁদের। সবেতেই পান ব্যাপক সাফল্য।
তুলা রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক জাতিকাদের উপর জগন্নাথদেবের আশীর্বাদ থাকে সবসময়। প্রভুর আশীর্বাদে সম্পদে ভরে যায় তাঁদের সংসার। কেরিয়ারেও হয় উন্নতি। রথযাত্রার সময়ে তাই ব্যবসায়ীরা বিশেষ লাভ পাবেন।
তিথি অনুযায়ী, চলতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় দিন ১৫ জুলাই, বুধবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে শুরু হবে। ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। সুতরাং উদয় তিথি অনুযায়ী আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় দিনটি ১৬ জুলাই পড়বে। তার উপর ভিত্তি করে পুরীতে জগন্নাথের রথযাত্রা পালিত হবে ওইদিনই।
