shono
Advertisement

সমস্যা মেটানোর নামে তরুণীকে ৭ বছর ধরে ধর্ষণ! গ্রেপ্তার স্বঘোষিত ধর্মগুরু ও তাঁর স্ত্রী

ধর্ষণের ভিডিও ফাঁস করার হুমকি দিয়ে টানা নির্যাতন।
Posted: 04:42 PM Aug 24, 2022Updated: 09:05 PM Aug 24, 2022

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) এক স্বঘোষিত গুরু ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে টানা ৭ বছর ধরে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। নির্যাতিতা ও তাঁর মায়ের অভিযোগ, ওই গুরু প্রতিশ্রুতি দেন, জীবনের কঠিন সমস্যা দূর করে দেবেন। এরপরই গুরুর বাড়িতে যান মহিলা। সেখানে তাঁকে মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে গুরু ও তাঁর স্ত্রী। ধর্ষণের ভিডিও রেকর্ড করেন তাঁরা। সেই ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে টানা ৭ বছর ধরে ধর্ষণ করা হয় তরুণীকে। অভিযোগ পেয়ে স্বঘোষিত গুরু ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে এক বন্ধুর বাড়িতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যান তরুণী। সেখানে অভিযুক্ত স্বঘোষিত গুরু আনন্দ মূর্তি ও তাঁর স্ত্রী লতার সঙ্গে আলাপ হয়। তরুণী সেই সময় চলা তাঁর জীবনের কিছু সমস্যার কথা জানান। সমস্যা দূর করার প্রতিশ্রুতি দেন গুরু। সেকথা বিশ্বাস করে ধর্মগুরুর বাড়িতে যান তরুণী, একটি বিশেষ পুজো দেওয়ার জন্য।

[আরও পড়ুন: দিল্লিতেও ‘অপারেশন লোটাস’! বিধায়ক ভাঙাতে ২০-২৫ কোটির প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, দাবি আপের]

এরপরই প্রকাশ্যে আসে গুরুর চরিত্র! তরুণীর অভিযোগ, গুরুর বাড়িতে গেলে তাঁকে একটি পানীয় খেতে দেওয়া হয়। যা খেয়ে জ্ঞান হারান তিনি। সকালে ঘুম ভাঙলে দেখেন এক বিছানায় অর্ধনগ্ন অবস্থায় শুয়ে আছেন গুরু, তাঁর স্ত্রী ও তিনি। তাঁকে ধর্ষণ করার ভিডিও ও ছবি মোবাইলে তোলেন অভিযুক্তরা। এরপর সেই ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে বছরের পর বছর ধরে গুরু ও তাঁর স্ত্রী ধর্ষণ করেন তরুণীকে। পরবর্তীকালেও নির্যাতনের ভিডিও করা হয় বলে অভিযোগ।

[আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠের বাড়িতে ইডি অভিযান, উদ্ধার AK 47]

সম্প্রতি নির্যাতিতা তরুণীর বিয়ে ভেঙে যায়। এরপরই স্বঘোষিত গুরুর ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ, গুরু ও তাঁর স্ত্রী হবু বরকে তরুণীর সঙ্গে সহবাসের ভিডিও দেখান। বলেন, বিয়ে করলেই এই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এরপরই ভেঙে যায় বিয়ে। এবারই নির্যাতিতা তরুণী সমস্ত ঘটনা জানান তাঁর মাকে। মা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। নির্যাতিতার মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলেকেও হুমকি দেয় অভিযুক্ত গুরু ও তাঁর স্ত্রী। বলা হয়, তরুণীকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেই ওই ভিডিও প্রকাশ্যে এনে গোটা পরিবারের মানসম্মান ধ্বংস করা হবে। পুলিশে অভিযোগ দায়ের হতেই পলাতক হন ওই গুরু ও তাঁর স্ত্রী। যদিও পুলিশের চোখে ধুলো দিতে পারেনি অভিযুক্তরা। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement