shono
Advertisement

‘ফল ভোগ করতে হবে অনীতকে’, পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে হুঁশিয়ারি গুরুংয়ের

সম্প্রতি হামরো পার্টির থেকে দার্জিলিং পুরসভা ছিনিয়ে নিয়েছে অনীত থাপার দল।
Posted: 08:43 PM Dec 29, 2022Updated: 08:43 PM Dec 29, 2022

অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি: কনকনে শীতে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড়। তার মাঝেই উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি। একদা সহযোদ্ধা, এখনকার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার (BGPM) প্রতিষ্ঠাতা অনীত থাপার বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (GJM) সুপ্রিমো বিমল গুরুং। মিরিক সফরে গিয়ে তিনি বলেন, “অনীত যা করল, তার ফল তাকে ভোগ করতে হবে। কালিম্পং, মিরিক ও কার্শিয়াং পুরনির্বাচনেই পাহাড়বাসীই তাকে জবাব দিয়ে দেবে।”

Advertisement

পাহাড়ে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ঘটেছে। হামরো পার্টির (Hamro Party) কাছ থেকে দার্জিলিং পুরসভা ছিনিয়ে নিয়েছে অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। বিনয় তামাং তৃণমূল (TMC)ত্যাগ করেছেন। পাহাড়ে গণতন্ত্র বিপন্ন বলে অজয় এডওয়ার্ড আন্দোলন শুরু করেছেন। বিমল গুরুং (Bimal Gurung)আবার পৃথক রাজ্যের দাবিতে সেমিনার করছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে পাহাড়ের রাজনীতিতে এমনই রকমারি সব চমক রয়েছে, তা বাসিন্দারাও জানতেন না।

[আরও পড়ুন: উলটপুরাণ! তৃণমূল থেকে সিপিএমে যোগ দিলেন মালবাজারের ৫০ পরিবার

এভাবে দল ভাঙিয়ে পুরসভা দখল মেনে নিতে পারেনি পাহাড়ের পোড়খাওয়া নেতারা। কারণ, এর আগে এ ধরনের ঘটনা আগে কোনওদিন ঘটেনি পাহাড়ে। তাই বৃহস্পতিবার মিরিক সফরে গিয়ে বিমল গুরুং বলেন, “পাহাড়ে গণতন্ত্র নেই বললেই চলে। অনীত থাপা যে রাজনীতি শুরু করেছে, তা বেশিদিন চলবে না। আসলে তিনি ক্ষমতালোভী তাই টাকা, ফ্ল্যাট, গাড়ি দিয়ে কাউন্সিলর কিনে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছে। মনে রাখবেন যারা ক্ষমতালোভী হয় তারা কিন্তু সমাজের পক্ষে ক্ষতিকারক। তবে অনীত এর উত্তর পাবেন আগামী নির্বাচনগুলোতেই।”

[আরও পড়ুন: দলাই লামার উপর গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, বুদ্ধগয়ায় আটক চিনা মহিলা]

এদিকে এখন পাহাড় ভরতি পর্যটক (Tourists)। বড়দিনের ছুটি কাটাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজির হয়েছেন তারা৷ কনকনে শীতে ম্যালে প্রতিদিন ভিড় নজরে পড়ছে। শীত এতটাই বেড়েছে যে পর্যটকরা এখন তুষারপাতের (Snowfalls) প্রহর গুনছেন। 

কিন্তু বিমল প্রসঙ্গে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সভাপতি অনীত থাপা বলেন, “সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পুরসভায় বোর্ড বদল হয়েছে। দলবদল গোটা দেশেই হয়ে থাকে। তাই নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। আর আমি ক্ষমতালোভী হতে যাব কেন। নিজে জিটিএ চেয়ারম্যান রয়েছি। আমি তো আর পুরসভার চেয়ারম্যান হচ্ছি না। আমার লক্ষ্য পাহাড়ে শান্তি বজায় রাখা। পর্যটকদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর দেওয়া। শান্তি থাকলেই পাহাড়ে ব্যবসা হবে। যেটা পাহাড়ের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement