shono
Advertisement

Breaking News

Bangladesh Election 2026

বিএনপি ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি? ভোটের মাঝে মুখ খুললেন তারেক ঘনিষ্ঠ নেতা

মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসনের আমলে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। হিন্দুহত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ঢাকার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 12:31 PM Feb 12, 2026Updated: 12:49 PM Feb 12, 2026

আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। সব ঠিক থাকলে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার তৈরি হবে বাংলাদেশে। প্রতিবেশী দেশের এই নির্বাচনের দিকে স্বাভাবিকভাবেই নজর রয়েছে নয়াদিল্লির। ২০২৪ সালে পদ্মাপাড়ে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসনের আমলে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতিই ঘটেছে। হিন্দুহত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ঢাকার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি। এবার সেই সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার পালা। বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর কীভাবে উন্নতি হবে, তা নিয়ে মাথাব্যথা সবপক্ষের।

Advertisement

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে ভোটগ্রহণের মাঝেই এনিয়ে মুখ খুললেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘনিষ্ঠ নেতা মাহদি আমিন। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম 'ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমিনের বক্তব্যে স্পষ্ট, ইউনুস আমলের ক্ষত সারিয়ে তুলতে আগ্রহী বিএনপি। তাঁরা ক্ষমতায় এলে দু'দেশের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ফেরানো হবে এবং উভয়ের স্বার্থরক্ষায় কাজ করতে চায় খালেদা জিয়ার দল। তারেক ঘনিষ্ঠ নেতার এহেন বক্তব্য নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

বৃহস্পতিবারের সাক্ষাৎকারে আমিন জানিয়েছেন, “ভারতের সঙ্গে কিছু সমস্যা আছে। কিন্তু মানুষে-মানুষে যোগাযোগ আরও নিবিড় করে তুলতে আগ্রহী। তার সুযোগ রয়েছে। এমন একটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আমরা আগ্রহী যেখানে পরস্পরের উপর বিশ্বাসের ভিত মজবুত হবে। উভয় পক্ষের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আমরা এমন সম্পর্ক চাই, যেখানে দুই দেশই সমানভাবে উপকৃত হবে।”

সাক্ষাৎকারে তারেক ঘনিষ্ঠ নেতা আমিন জানিয়েছেন, “ভারতের সঙ্গে কিছু সমস্যা আছে। কিন্তু মানুষে-মানুষে যোগাযোগ আরও নিবিড় করে তুলতে আগ্রহী। তার সুযোগ রয়েছে। এমন একটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আমরা আগ্রহী যেখানে পরস্পরের উপর বিশ্বাসের ভিত মজবুত হবে। উভয় পক্ষের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আমরা এমন সম্পর্ক চাই, যেখানে দুই দেশই সমানভাবে উপকৃত হবে।”

বিএনপি-র শরীর থেকে এখনও ইসলামপন্থার পরিচয় মোছেনি। জামাতের মতো কট্টর না হলেও খালেদা জিয়ার দল আওয়ামি লিগের তথাকথিত উদারপন্থা থেকে দূরেই। এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লির সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা, সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা। তবে তারেকের নেতৃত্বাধীন বিএনপি দেশের সমস্ত জনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এদিন তারেক ঘনিষ্ঠ নেতা মাহদি আমিনের কথাতেও তা উঠে এল। তাঁর কথায়, ''বিএনপি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিক একই অধিকার, স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।'' এখন দেখার, খালেদা জিয়ার দল ক্ষমতায় এলে ঢাকা-নয়াদিল্লির সম্পর্কের কতটা উন্নতি হয়। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement