সপ্তাহ পেরলেই বাংলাদেশে ভোট। আগামী ১২ তারিখ, বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর সেই উপলক্ষে ঢাকা-সহ সারা দেশের সমস্ত দোকান, বাণিজ্যবিতান ও শপিং মল দু'দিন বন্ধ থাকবে। ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে ভোট গ্রহণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে সুবিধা দিতে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখাই লক্ষ্য। তাই আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার সারা দেশে দোকান, বাণিজ্যবিতান ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সে দেশের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে অন্য কথা। অশান্তির আশঙ্কাতেই ২ দিন ধরে দোকান, বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত।
এছাড়া শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক। এর ফলে ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি - টানা তিনদিন ছুটি থাকবে দেশের কারখানার শ্রমিকদের। এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন, ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নির্বাচনের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি এমনিতেই সাধারণ ছুটি থাকে। ভোটের পরের দু'দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি আছে। ফলে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন উপলক্ষে টানা কয়েক দিন ছুটি থাকছে।
এদিকে, ভোট প্রচারের শেষ লগ্নে নিয়ম ভেঙে মাইকের ব্যবহারে কার্যত অতিষ্ঠ সাধারণ জনতা। জানা যাচ্ছে নিয়ম অনুযায়ী, দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইকে প্রচার করা যাবে। কিন্তু কোথাও কোথাও রাত ৯, ৯.৩০ পর্যন্তও মাইকে প্রচার চলছে। যার জেরে গত কয়েকদিনে ঢাকা-সহ বাংলাদেশের বড় শহরগুলিতে শব্দদূষণের মাত্রা বেড়েছে। ৬০ ডেসিবেল পর্যন্ত শব্দের মাত্রা থাকার কথা। কিন্তু প্রায়শয়ই সেই মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে হাসপাতালগুলির উপরও। বয়স্ক বাসিন্দারা স্পষ্টই অভিযোগ, কান ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে।
