ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুতে মুখ খুলল বাংলাদেশ। সোমবার বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, খামেনেইকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। একইসঙ্গে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মারণ হামলারও বিরোধিতা করেছে ঢাকা।
বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় আমরা মর্মাহত। যেভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক আইন এবং রীতিনীতির লঙ্ঘন। ইরানের জনগণের প্রতি আমাদের সমবেদনা রইল।’ বিবৃতিকে আরও বলা হয়েছে, ‘সংঘাত কোনও আনে না। আলোচনা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি আনুগত্যই বিরোধের সমাধান করতে পারে।’
শনিবার সকালে ইরানে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। এরপর মধ্যরাতে মধ্যরাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানে হামলায় মৃত্যু হয়েছে খামেনেইয়ের। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তি খামেনেই। তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ইরান এবং আমেরিকার জনগণ ন্যায়বিচার পেল।’
ট্রাম্পের এই দাবির পরই রবিবার ভোরে মুখ খোলে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম। খামেনেইয়ের মৃত্যুর কথা তারা নিশ্চিত করে তারা জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহিদ হয়েছেন। শনিবার তিনি তাঁর দপ্তরে কাজ করছিলেন। সেই সময়েই আমেরিকা-ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার। তিনি দেশের জনগণের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবর অনুযায়ী, তেহরানে খামেনেইর অফিস কার্যত ধুলিসাৎ। উপগ্রহ চিত্র এই ধ্বংসের প্রমাণ।
