এবার পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলায় অভিযুক্ত করা হল বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina)। পাশাপাশি, অভিযোগের তালিকায় নাম রয়েছে শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানক-সহ তৎকালীন বেশ কয়েকজন আওয়ামি লিগের মন্ত্রী এবং নেতার নামও।
জানা গিয়েছে, এই মামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন সাক্ষী রয়েছে। তাঁদের মধ্যে সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে ৩০০ জনের। তাঁদের জবানবন্দিতেই হাসিনা-সহ আওয়ামি লিগের মন্ত্রী এবং নেতাদের জড়িত থাকার তথ্য উঠে এসেছে। মামলার চিফ প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই মামলা করা যাবে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মামলাটি এখন বিচারাধীন। এখনও সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। তবে সাম্প্রতিক অতীতে বেশ কয়েকজন আসামি জামিন পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত হয়েছিল পিলখানা। কেউ কখনও ভাবতেই পারেননি পিলখানার মতো সুরক্ষিত স্থানে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে জীবন দিতে হবে। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বাংলাদেশের আদালত এই মামলার রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। এরপর মামলাটি হাই কোর্টে যায়। উচ্চ আদালত ১৩৯ জন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।
