shono
Advertisement
Duttapukur

দত্তপুকুরে হোটেল-রেস্তরাঁয় ব্যাপক ভাঙচুর, পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ মালিক

সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভাঙচুরের ভিডিও।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 09:37 PM Sep 14, 2025Updated: 02:40 PM Sep 15, 2025

অর্ণব দাস, বারাসত: দত্তপুকুরে হোটেল-রেস্তরাঁয় ঢুকে ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার শাগরেদদের বিরুদ্ধে! পুলিশ অভিযোগ নিয়ে রাজি না হওয়ায় জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ ব্যবসায়ী সৌমেন দাস। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এলাকায়। পুলিশ সুপারের নির্দেশে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

জানা গিয়েছে, দত্তপুকুর থানার চালতাবেড়িয়া একটি রেস্তরাঁ করেছেন সৌমেন দাসের। ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি ভাড়ার এগ্রিমেন্ট, প্রয়োজনীয় অনুমতির জন্য আবেদন জানিয়েছেন। অভিযোগ, এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ওই হোটেল-রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর চালানো হয়। সেই ভাঙচুরের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ব্যবসায়ীর অভিযোগ, হামলাকারীরা স্থানীয় পঞ্চায়েতের নেতা মান্তু সাহার নাম বলে ভাঙচুর চালায়। বলে হিসাব না করে হোটেল করা যাবে না। পরে দেখা যায় হোটেলের লক্ষাধিক টাকা ও নথি লুট হয়েছে। এনিয়ে দত্তপুকুর থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযুক্ত মান্তু সাহা দলবল নিয়ে থানায় হাজির হন সেখানে। সৌমেনবাবুর অভিযোগ, পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। শনিবার বাধ্য হয়ে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করেন তিনি।

যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে দত্তপুকুর ২ পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান মান্তু সাহা বলেন, "সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। ওই হোটেলে দু'বছর আগে দেহব্যবসা চালু হয়েছিল। গ্রামবাসীরা সেটি বন্ধ করে দেয়। নতুন করে কয়েকদিন ধরে পুরনো ব্যবসা শুরু হয়েছে। গ্রামবাসীরাই প্রতিবাদ করেছে।" বারাসত জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জোনাল) অতীশ বিশ্বাস জানিয়েছেন, "অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সোমবার বিকেলে আসতে বলা হয়েছে। ওনার সঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলা হবে। ভাঙচুরের অভিযোগ নিয়ে থানা ইতিমধ্যেই কেস শুরু করেছে। যদি লাইসেন্সের আবেদন করে অনুমতি পাওয়ার আগেই ব্যবসা শুরু হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • দত্তপুকুরে হোটেল-রেস্তরাঁয় ঢুকে ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার শাগরেদদের বিরুদ্ধে!
  • পুলিশ অভিযোগ নিয়ে রাজি না হওয়ায় জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ ব্যবসায়ী সৌমেন দাস।
  • ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এলাকায়। পুলিশের সুপারের নির্দেশে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
Advertisement