shono
Advertisement
KanchraPara

কাঁচরাপাড়ায় স্কুলের বন্ধ ঘরে ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার স্তূপ! থ পুলিশ, শুরু তদন্ত

অন্যদিকে স্কুলের সিক রুম থেকে বেশ কয়েকটি কন্ডোমও উদ্ধার করেছে পুলিশ। তা কীভাবে এল তা এখনও স্পষ্ট নয়।
Published By: Kousik SinhaPosted: 12:43 PM Jun 11, 2026Updated: 02:11 PM Jun 11, 2026

কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara) বেসরকারি স্কুলের তালাবন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা! বুধবার গভীর রাতে ওই স্কুলে তল্লাশি অভিযানে নামেন পুলিশ আধিকারিকরা। রাতভর চলে টাকা গণনার কাজ। এরপরেই পুলিশের আধিকারিক জানান, বেসরকারি স্কুলের বন্ধ ঘরে ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে একাধিক নথি, কম্পিউটার। বিপুল এই টাকা কীভাবে এবং কোথা থেকে এল? তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ভর্তি নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। উদ্ধার হওয়া টাকা দুর্নীতির কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যে ঘটনায় স্কুলের দু'জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগ দায়ের হয়েছে চারজনের বিরুদ্ধে। তাঁদের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপ, প্রতারণা-সহ বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

Advertisement

বেসরকারি স্কুলের বন্ধ ঘরে ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে একাধিক নথি, কম্পিউটার। বিপুল এই টাকা কীভাবে এবং কোথা থেকে এল? তা এখনও স্পষ্ট নয়।

যদিও এই ঘটনায় কার্যত দায় ঝেড়ে ফেলেছেন ওই বেসরকারি স্কুলের প্রিন্সিপাল বিকাশ চন্দ্র পাল। তাঁর দাবি, এপ্রিল মাস থেকে জমা থাকা অ্যাডমিশনের টাকা ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার দায়িত্ব ছিল অ্যাকাউন্ট সেকশনের। টাকা কেন ব্যাঙ্কে জমা পড়েনি, তার জবাবও তাদের কাছেই রয়েছে। এই প্রসঙ্গে প্রিন্সিপাল আরও জানান, স্কুলের অ্যাডমিশনের টাকা অ্যাকাউন্ট সেকশনে জমা ছিল। সেই টাকা ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার দায়িত্বও ছিল ওই বিভাগের। পুরো বিষয়টি তারা দেখত। উদ্ধার হওয়া নগদ অর্থের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত হোক বলেও দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে স্কুলের সিক রুম থেকে বেশ কয়েকটি কন্ডোমও উদ্ধার করেছে পুলিশ। তা কীভাবে এল তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশ্ন উঠছে, স্কুল শেষ হয়ে গেলে ওই ঘর অনৈতিক কাজকর্ম চলত! তবে এই বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন প্রিন্সিপাল বিকাশ চন্দ্র পাল। তবে স্কুলের সিক রুমের আলমারি থেকে কন্ডোম যে পাওয়া গিয়েছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রিন্সিপাল। এদিকে ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস। তাঁর চাঞ্চল্যকর দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থ স্কুলের নয়। কাঁচরাপাড়া পুরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান কমল অধিকারী, বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুবোধ অধিকারী এবং বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিকের ‘কালো টাকা’ স্কুলে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। টাকার উৎস এবং গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার