বিএড কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন তরুণী। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেন তিনি ওই কলেজে আর পড়বেন না। টাকা রিফান্ড চান তিনি। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, সেই টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। সেই মোতাবেক টাকা ফেরত চাইতে গেলে, ছাত্রী ও তাঁর মাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল কলেজের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পেট্রাপোল থানার খেদাপাড়া বিভূতিভূষণ বিএড কলেজে। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ছাত্রীর পরিবার। তদন্তে পুলিশ।
ছাত্রীর থেকে জানা গিয়েছে, ২০২৬-২০২৮ বর্ষে খেদাপাড়া বিভূতিভূষণ বিএড কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত নেন সেই কোর্স করবেন না। কলেজ কর্তৃপক্ষকে তা লিখিত আকারে জানিয়ে দেন ছাত্রী। ভর্তিতে দেওয়া টাকাও ফেরত চান। ছাত্রী ও তাঁর পরিবারের দাবি, কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, তার টাকা রিফান্ডের ব্যবস্থা করবেন। অভিযোগ এরপর কয়েক মাস ধরে কলেজে টাকা চাইতে গেলে তাকে ঘোরানো হয়। শুক্রবার দুপুর দেড়টায় ওই ছাত্রীকে কলেজের তরফ থেকে যেতে বলা হয়। সেই মতো বনগাঁ থানার খয়রা বাড়ির বাসিন্দা ওই ছাত্রী ও তাঁর মা কলেজে পৌঁছন।
অভিযোগ, তাঁদেরকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর জানানো হয়, কলেজ কোনও রিফান্ড দেবে না। এরপর ওই ছাত্রী কলেজের কাছে তাঁর জমা দেওয়া আবেদনপত্রের একটি রিসিভ কপি চান। অভিযোগ ওই রিসিভ কপি চাওয়ার পরেই কলেজের দুই স্টাফ প্রদীপ দে ও মিজানুর মণ্ডল তাঁকে টানা হিচড়া করে ধাক্কা মেরে কলেজ থেকে বার করে দেন বলে অভিযোগ। ছাত্রীর মা বাধা দিলে তাঁকেও ধাক্কা মারা হয় বলেও অভিযোগ। এরপরই ওই ছাত্রী ও তাঁর মা প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে যায়। তারপর রাতে তারা পেট্রাপোল থানায় লিখিত অভিযোগ জানায়। যদিও এই বিষয় কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও কোনও উত্তর মেলেনি।
