পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ। আর সেই অভিযোগের জেরেই শাস্তির মুখে কলকাতা পুলিশের দুই কর্মী। সাসপেন্ড করা হয়েছে এক সার্জেন্ট-সহ দু’জনকে। পাশাপাশি ডিমোবিলাইজ করা হয়েছে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকেও। তিনজনের বিরুদ্ধেই বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর।
দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তোলাবাজি যে কোনওভাবেই বরদাস্ত নয়, সেই বার্তাও দেন।
সূত্রের খবর, ভাঙড়ের ঘাটকপুকুর চৌমাথায় পণ্যবাহী গাড়ি থেকে নিয়মিত জোর করে টাকা আদায় করা হচ্ছে—এই মর্মে নবান্নের উঁচুতলা থেকে কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগ আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে ভাঙড় ট্রাফিক পুলিশ গার্ড। তদন্তে উঠে আসে তিনজনের নাম। তাঁরা হলেন সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা, কনস্টেবল শিবনন্দ ঠাকুর এবং সিভি-৭৩৯৬ আলি হাসান মোল্লা। অভিযোগ, তাঁরা নিয়মিত পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় করতেন।
অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তের পরই পদক্ষেপ করে লালবাজার। সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা এবং কনস্টেবল শিবনন্দ ঠাকুরকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, সিভিক ভলান্টিয়ার আলি হাসান মোল্লাকে ডিমোবিলাইজ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দুই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে নিয়ম মেনে বিভাগীয় তদন্ত প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তোলাবাজি যে কোনওভাবেই বরদাস্ত নয়, সেই বার্তাও দেন। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এবার খোদ 'তোলাবাজি'র অভিযোগে সাসপেন্ড খোদ এক সার্জেন্ট-সহ দু’জন।
