তোলাবাজির টাকা না দেওয়ায় বরানগরে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর। এমনকী প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনায় অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূল নেতা শঙ্কর রাউতের দিকে। যদিও ঘটনা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন তিনি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বরানগরের গোপাল ঠাকুর রোডে। ইতিমধ্যে ঘটনায় স্থানীয় বরানগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত ওই ব্যবসায়ী। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। কড়া ভাষায় তৃণমূলকে একহাত নিয়েছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। যদিও ঘটনায় রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই বলে পালটা জানিয়েছেন বরানগরের তৃণমূল বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বরানগরের গোপাল লাল ঠাকুর রোডের বাসিন্দা সুদীপ্ত ঘোষ। ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজ করে থাকেন তিনি। সুদীপ্ত ঘোষের দাবি, ১ লাখ টাকা তোলাবাজি চেয়ে তাঁকে ফোনে মাঝেমধ্যেই হুমকি দেওয়া হতো। তা দিতে অস্বীকার করেন তিনি। এরপরেই শুক্রবার রাতে বেশ কয়েকজন বাড়িতে এসে তাঁকে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ সুদীপ্ত ঘোষের। শুধু তাই নয়, বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি ক্লাবে তাঁকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। ১ লাখ টাকা না দিলে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ আক্রান্ত ওই ব্যবসায়ীর। তাঁর দাবি, পুরো এই ঘটনায় যুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতা শঙ্কর ঘোষ। ইতিমধ্যে এই ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে দেখেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।
ঘটনার পরেই আজ শনিবার সকালে স্থানীয় বরানগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সুদীপ্ত ঘোষ। যেখানে শঙ্কর রাউতের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। যদিও কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই বলেই দাবি তৃণমূল নেতার। এমনকী মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি বলেও দাবি তাঁর। তবে ওই ব্যবসায়ীকে ক্লাবে বোঝাতে ডাকা হয়েছিল বলে দাবি শঙ্কর রাউতের। অন্যদিকে এই ঘটনায় তৃণমূল নেতাকে আক্রমণ করে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ''শঙ্কর রাউতের নেতৃত্বেই ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করা হয়েছে।'' ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে থানা অবরোধের ডাক দেন বিজেপি নেতা।
