থানা থেকে মাত্র দেড়শো মিটার দূরে হাড়হিম কাণ্ড! রাস্তার ধারে পাঁচ-সাত বছর ধরে পড়ে থাকা গাড়ির মধ্যে উদ্ধার হল কঙ্কাল। অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পচাগলা কঙ্কাল উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। শনিবার সকালের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির জোড়তলা পথের সাথী গেস্ট হাউসের কাছে বহরমপুর-করিমপুর রাজ্য সড়কে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ওই কঙ্কালটি চার থেকে পাঁচ মাসের পুরনো। স্থানীয় মানুষজন জানাচ্ছেন, গত প্রায় ৫ থেকে ৭ বছর ধরে ওই গাড়িটি রাস্তার ধারে পড়ে আছে। বেশ কিছুদিন ধরেই ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় দুর্গন্ধ পেয়েছেন পথচলতি মানুষ। যেহেতু কিছু নজরে পড়েনি, তাই তাঁরা ভেবেছিলেন কুকুর বা শিয়াল জাতীয় কিছু মারা গিয়ে পচা গন্ধ বেরচ্ছে।
জলঙ্গির প্রাক্তন বিধায়ক, সিপিএম নেতা ইউনুস সরকার জানান, “ওই গন্ধ অনেকেই পেয়েছেন, আমিও পেয়েছি। কিন্তু কুকুর-শিয়াল মরে পচা গন্ধ হবে - এই ভেবে নাকে রুমাল চাপা দিয়ে আমিও গিয়েছি।” তাহলে শনিবার ব্যাপারটি জানাজানি হল কী করে? তার উত্তরে প্রাক্তন বিধায়ক জানান, “গাড়িটি স্থানীয় গ্যারেজ মালিক রিপন শেখের নজরদারিতে পড়ে আছে। আজ সকালে গাড়ির কোনও পার্টস খোলার জন্য গাড়ি খুলতে গিয়ে দেখে গাড়ির ভিতরে পচাগলা কঙ্কাল পড়ে আছে। তখন থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করেছে।''
স্থানীয় মানুষজন জানাচ্ছেন, গত প্রায় ৫ থেকে ৭ বছর ধরে ওই গাড়িটি রাস্তার ধারে পড়ে আছে। বেশ কিছুদিন ধরেই ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় দুর্গন্ধ পেয়েছেন পথচলতি মানুষ। যেহেতু কিছু নজরে পড়েনি, তাই তাঁরা ভেবেছিলেন কুকুর বা শিয়াল জাতীয় কিছু মারা গিয়ে পচা গন্ধ বেরচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, জলঙ্গি বাজারে দীর্ঘদিন ধরে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি ঘুরে বেড়াতেন প্রায় ৭-৮মাস ধরে। সম্প্রতি ওই ভবঘুরেকে এলাকায় আর দেখা যাচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে অনুমান, এই কঙ্কাল ওই মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরের হতে পারে। তবে কীভাবে গাড়ির ভিতরে ঢুকল, কেনই বা ঢুকল, কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেসব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ জানান “একটি পরিত্যক্ত গাড়ির মধ্যে থেকে পচাগলা কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে। কেন কি ভাবে ওই মৃতদেহ ওখানে এল, সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।''
