shono
Advertisement
Dinhata

প্রতিবেশীকে 'বাবা' বানিয়ে SIR-এ আবেদন, সন্দেহ হতেই গা ঢাকা, অবশেষে ধৃত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী!

সীমান্ত পেরিয়ে এপারে এসে অবৈধভাবে বসবাস! ছিল না ভারতে থাকার কোনও আসল পরিচয়পত্র। বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরেই ওই অনুপ্রবেশকারী ফর্মফিলাপের আবেদন করেছিলেন! এসআইআর ফর্মে আবেদনের জন্য এলাকারই এক বাসিন্দাকে 'বাবা' বানানো হয়েছিল! ঘটনা জানাজানি হতেই পালিয়েছিলেন ওই যুবক।
Published By: Suhrid DasPosted: 04:55 PM Feb 18, 2026Updated: 05:19 PM Feb 18, 2026

সীমান্ত পেরিয়ে এপারে এসে অবৈধভাবে বসবাস! ছিল না ভারতে থাকার কোনও আসল পরিচয়পত্র। বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরেই ওই অনুপ্রবেশকারী ফর্মফিলাপের আবেদন করেছিলেন! এসআইআর ফর্মে আবেদনের জন্য এলাকারই এক বাসিন্দাকে 'বাবা' বানানো হয়েছিল! ঘটনা জানাজানি হতেই পালিয়েছিলেন ওই যুবক। গা ঢাকা দিতেও শেষরক্ষা হল না। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ওই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। ধৃতের নাম ওমর ফারুক ব্যাপারী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের দিনহাটায়।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওমর ফারুক ব্যাপারী বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলে অভিযোগ। ধৃতের থেকে বাংলাদেশি নাগরিকের একাধিক নথিপত্রও পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, তিনি কোচবিহারের দিনহাটা এলাকায় থাকছিলেন। এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ওই যুবককে নিয়ে সন্দেহও হয়েছিল। এর মধ্যেই বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়। বাসিন্দারা নিজেদের পরিচয়পত্র জমা করছিলেন এসআইআরের ফর্মপূরণের জন্য। 

অভিযোগ, ওই ব্যক্তি এসআইআরের ফর্ম তোলার আবেদন করতে যান। তাঁর পরিচয়পত্রের কাগজপত্র দেখে সন্দেহ হয় লোকজনের। অভিযোগ, ওমর দিনহাটা নাগরের বাড়ি এলাকার এক ব্যক্তিকে নিজের 'বাবা' দেখিয়ে এসআইআর এনুমারেশন ফর্মে আবেদন করেছিলেন।

অভিযোগ, ওমর ফারুক ব্যাপারীও এসআইআরের ফর্ম তোলার আবেদন করতে যান। তাঁর পরিচয়পত্রের কাগজপত্র দেখে সন্দেহ হয় লোকজনের। অভিযোগ, ওমর দিনহাটা নাগরের বাড়ি এলাকার এক ব্যক্তিকে নিজের 'বাবা' দেখিয়ে এসআইআর এনুমারেশন ফর্মে আবেদন করেছিলেন। সেই কথা জানাজানি হলে ওই ব্যক্তির স্ত্রী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওমর ফারুক ব্যাপারী সন্তান তো নয়ই, কোনও আত্মীয়ও নন বলে জানানো হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই যুবক ভারতীয় নাগরিক হওয়ার জন্য বিভিন্ন জাল নথিও তৈরি করেছিলেন!

পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলে গা ঢাকা দেন অভিযুক্ত। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। শেষপর্যন্ত সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ ওই যুবককে গ্রেপ্তার করল। আজ, বুধবার ধৃতকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। যদিও ধৃতের দাবি, তৃণমূলের লোকজন তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ মিথ্যা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement