শনিবার সকালেই তুলকালাম পরিস্থিতি। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মধ্য হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক অরূপ রায়ের বাড়ি থেকে ম্যাটাডোর বোঝাই ত্রিপল পাচারের চেষ্টা হতেই হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। এরপরই বিধায়কের বাড়ির সামনে আছড়ে পড়ে বিক্ষোভ। ওঠে 'চোর চোর' স্লোগান।
বিক্ষুব্ধ স্থানীয়দের অভিযোগ, "সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করার জন্য রাখা সরকারি সামগ্রী কেন মজুত ছিল দলীয় কার্যালয়ের গোডাউনে? করোনাকালে ব্যবহৃত পিপিই কিট পর্যন্ত গোডাউনে ঠাসা। এমনকী উইকেট, হুইল চেয়ার কী নেই এই গোডাউনে। আজ সকালে চুপিসারে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা হচ্ছিল।"
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ির সামনের একটি গোডাউনে মজুত ছিল বস্তা বস্তা কম্বল, ত্রিপল, পিপিই কিট সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি সামগ্রী। শনিবার সকালে সেই গোডাউনে মজুত করা সামগ্রী ম্যাটাডোরে বোঝাই করে সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল। ঠিক সেই সময়ই গাড়ি আটকে দেন স্থানীয়রা। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে চলে তুমুল বিক্ষোভ। বিক্ষুব্ধ স্থানীয়দের অভিযোগ, "সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করার জন্য রাখা সরকারি সামগ্রী কেন মজুত ছিল দলীয় কার্যালয়ের গোডাউনে? করোনাকালে ব্যবহৃত পিপিই কিট পর্যন্ত গোডাউনে ঠাসা। এমনকী উইকেট, হুইল চেয়ার কী নেই এই গোডাউনে। আজ সকালে চুপিসারে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা হচ্ছিল।"
ম্যাটাডোরে বোঝাই করা কম্বল, ত্রিপল দেখতে পেয়েই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব গাড়িটিকে আটকে দেয়। গোডাউন খুলতেই দেখা যায় সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকার সরকারি ত্রাণ মজুত রয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। তৃণমূল বিধায়ক অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভে দেখাতে থাকেন তাঁরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে একপ্রস্থ বচসাও বাধে পুলিশের। যদিও পুরো অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়। তাঁ দাবি, "ইদ এবং পুজোর সময় গরিব মানুষের জন্য ত্রাণ আসে বিধায়কদের কাছে। যতগুলি দেওয়ার ছিল দেওয়া হয়ে গেছে। বাকি সামগ্রী জেলাশাসকের দপ্তরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছিল। সেই সময়ই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেন কয়েকজন। ১৫ বছর ধরে মন্ত্রী ছিলাম। কোনও অনৈতিক কাজ করিনি।" গতকাল ডোমজুড়ের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক কল্যাণ ঘোষের বাড়ির কাছে আরেকটি গুদামে হানা দিয়ে এভাবেই বহু সামগ্রী উদ্ধার করেছিল পুলিশ।
