shono
Advertisement
South Howrah

৪০ বছর ধরে রেল ব্রিজ ধরেই ঝুঁকির যাতায়াত, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী নতুন সরকার

রেল, জেলা প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা এলাকা ঘুরে দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাঁদের এই সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যায় তা তাঁরা খতিয়ে দেখেন।
Published By: Arpita MondalPosted: 03:10 PM May 30, 2026Updated: 03:10 PM May 30, 2026

খাল পারাপারের রাস্তা নেই। বাধ্য হয়ে প্রায় ৪০ বছর ধরে রেল ব্রিজের উপর দিয়েই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন দক্ষিণ হাওড়ার মৌখালি হালদার পাড়ার হাজার হাজার বাসিন্দা। স্কুল পড়ুয়া, অসুস্থ রোগী থেকে মৃতদেহ বহন সবই চলছে রেলব্রিজ পার করে। তার উপর মৌখালির এই হালদারপাড়ায় এখনও অনেক রাস্তাই কাঁচা রয়েছে, পাকা হয়নি। হাওড়া পুরসভার অন্তর্গত ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের হালদারপাড়ার বাসিন্দাদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে কীভাবে তাঁদের এই সমস্যার সমাধান করা যায় তা খতিয়ে দেখছে রাজ্যের পরিবর্তনের সরকারের বিভিন্ন দপ্তর।

Advertisement

শুক্রবার সকালে রেল, জেলা প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা এলাকা ঘুরে দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাঁদের এই সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যায় তা তাঁরা খতিয়ে দেখেন। এলাকায় গিয়েছিলেন বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ হাওড়ায় এবারের বিজেপি প্রার্থী তথা স্থানীয় বিজেপি নেতা শ্যামল হাতি। এদিন শ্যামলবাবু বলেন, "আমি ভোটে হেরে যেতে পারি। কিন্তু রাজ্যে আমাদের বিজেপির সরকার রয়েছে। তাই ভোটের আগে আমি প্রচারের সময় মৌখালি হালদারপাড়ার বাসিন্দাদের বলেছিলাম আমরা সরকারে এলে আপনাদের ৪০ বছরের এই সমস্যার সমাধান করবো। তাই আমি এঁদের সমস্যার সমাধানের জন্য রাজ্য সরকার ও রেলের আধিকারিকদের কাছে চিঠি দিয়ে আবেদন করেছিলাম। সেই মতোই এদিন আধিকারিকরা দেখতে এসেছেন।"

প্রসঙ্গত, এই মৌখালি হালদারপাড়া থেকে সাঁতরাগাছি স্টেশন, কোনা এক্সপ্রেসওয়ে যেতে গেলেও হাওড়া আমতা লাইনের রেলব্রিজের উপর দিয়ে কার্যত রেল লাইন ধরে হেঁটে বাসিন্দাদের যেতে হয়। স্কুল পড়ুয়াদের নিত্যদিন ওই পারাপার করতে হয়। ওখানে কোনও রাস্তা নেই। এমনকী এলাকায় কোনও বাসিন্দা মারা গেলে তাঁর মৃতদেহও ওই লাইনের উপর দিয়ে নিয়ে যেতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সাঁতরা, গোবিন্দ জানা-রা জানালেন, বছরের পর বছর এভাবে রেললাইন পেরোতে গিয়ে অনেকেই ট্রেনের ধাক্কায় মারা গিয়েছেন। এমনকী অনেক স্কুল পড়ুয়াও এভাবে রেললাইন পেরোতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মারা গিয়েছে। দীর্ঘদিন পুরসভা ও জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও ফল হয়নি। আশা করা যায় নতুন সরকার এসেছে তারা এই সমস্যার সমাধান করবে। প্রসঙ্গত, এই এলাকায় প্রায় ৬০০টি পরিবার বসবাস করে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement