ভোটে হারতেই একদা শক্ত ঘাঁটি বীরভূমে তছনছ ঘাসফুল শিবির! তৃণমূলের কোর কমিটিতে ভাঙন কেষ্ট-গড়ে। কোর কমিটির সদস্যপদ ছাড়লেন লাভপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অভিজিৎ সিনহা। সংগঠনের কার্যকলাপে বিরক্ত হয়ে তিনি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, একদা অনুব্রত ঘনিষ্ঠ হলেও চিঠিতে অভিজিৎ সিনহা তাঁর বিরুদ্ধেই একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এনিয়ে কোর কমিটির কারও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি এখনও পর্যন্ত।
সূত্রের খবর, অভিজিৎ ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, কোর কমিটি কোনও কাজ করে না। ভোটে হারের পর একটি বৈঠকও ডাকা হয়নি। এমনকী ভোটের আগেও যতটা কাজ করার ছিল, তা করেনি কোর কমিটি। এই ভূমিকায় তিনি অত্যন্ত বিরক্ত। এই পদে থেকে আর কোনও লাভ আছে বলে মনে করছেন না অভিজিৎবাবু। তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কোর কমিটির সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। তাতে নাকি তিনি অনুব্রত মণ্ডলের ভূমিকার বিরোধিতা করেছেন।
লাভপুরের দু'বারের বিধায়ক অভিজিৎ সিনহা। বীরভূমে দীর্ঘকাল ধরে জেলা সভাপতি থাকাকালীন অনুব্রত মণ্ডলের যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল তিহার জেল থেকে ফেরার পর দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় দলীয় সংগঠন চালাতে নির্বাচিত বিধায়ক ও সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের নিয়ে কোর কমিটি গড়ে দিয়েছিলেন। তার অন্যতম সদস্য ছিলেন লাভপুরের সেসময়ের বিধায়ক অভিজিৎ সিনহাও। ছাব্বিশের ভোটেও লাভপুরে তাঁর উপর ভরসা রেখেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে বিজেপির দেবাশিস ওঝার কাছে পরাজিত হন। এরপরই কোর কমিটির কার্যকলাপ এবং অনুব্রত মণ্ডলের ভূমিকায় ফেটে পড়েন তিনি।
সূত্রের খবর, অভিজিৎ ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, কোর কমিটি কোনও কাজ করে না। ভোটে হারের পর একটি বৈঠকও ডাকা হয়নি। এমনকী ভোটের আগেও যতটা কাজ করার ছিল, তা করেনি কোর কমিটি। এই ভূমিকায় তিনি অত্যন্ত বিরক্ত। এই পদে থেকে আর কোনও লাভ আছে বলে মনে করছেন না অভিজিৎবাবু। তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কোর কমিটির সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। তাতে নাকি তিনি অনুব্রত মণ্ডলের ভূমিকার বিরোধিতা করেছেন। বীরভূমের কোর কমিটিতে এই ভাঙন দলীয় সংগঠনে বড় ধাক্কা বলেই মনে করছে জেলা রাজনৈতিক মহল।
