রাজ্যের সমস্ত অবৈধ নির্মাণে বুলডোজার চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি সরকার। সেইমতো জেলাগুলিতেও কাজ চলছে। বাঁকুড়ার মাচানতলায় সরকারি জমিতে বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এবার চকবাজারে বুলডোজার নিয়ে দেখা গেল বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানাকে। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তিনি ফুটপাত দখল, যানজট এবং শহরে মাদক কারবারের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। আর তাতেই প্রশ্ন উঠছে, এবার কি তবে ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে চকবাজারেও চলবে বুলডোজার?
এ প্রসঙ্গে বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা বলেন, ‘‘শহরের সরকারি জমি, রাস্তা ও ফুটপাত সাধারণ মানুষের। দখলদারি বা অপরাধমূলক কার্যকলাপ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আইন অনুযায়ী প্রশাসনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। আমি এই জায়গাটা দেখে গেলাম। ডিএম সাহেবও এসেছিলেন। এছাড়া আরও কয়েকজিন সরকারি অফিসার ছিলেন। সবাই মিলে আলোচনা হল। এখানকার সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলা হবে অবিলম্বে।"
বাঁকুড়ার চকবাজারে জেলাশাসকের বাংলো, ডিআইজি অফিস এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পুরনো অফিস ভবনের পিছনে থাকা সরকারি জমিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল ও দিনের বেলায় প্রকাশ্য মাদক কারবারের অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই জেলা প্রশাসন বুলডোজার নামিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে। দখলদারদের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
জেলাশাসকের বাংলো, ডিআইজি অফিস এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পুরনো অফিস ভবনের আশপাশ ঘুরে দেখেন বিধায়ক, শনিবার বিকেলে। নিজস্ব ছবি
শনিবার এ প্রসঙ্গে বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা বলেন, ‘‘শহরের সরকারি জমি, রাস্তা ও ফুটপাত সাধারণ মানুষের। দখলদারি বা অপরাধমূলক কার্যকলাপ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আইন অনুযায়ী প্রশাসনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। আমি এই জায়গাটা দেখে গেলাম। ডিএম সাহেবও এসেছিলেন। এছাড়া আরও কয়েকজিন সরকারি অফিসার ছিলেন। সবাই মিলে আলোচনা হল। এখানকার সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলা হবে অবিলম্বে।"
চকবাজারের ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, মাদক কারবার ও দখলদারির কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই মাচানতলার অবৈধ নির্মাণ বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর বিধায়কের এই পরিদর্শন ঘিরে এখন শহরে একটাই প্রশ্ন - চকবাজারেও কি দখলমুক্তির জন্য অভিযান শুরু হবে?
