২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে হাওড়া পুরসভার তৃণমূলের বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছিল। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত হাওড়া পুরসভায় কোনও নির্বাচন হয়নি। প্রশাসকের সাহায্যে হাওড়া পুরসভার পরিচালনা হলেও নাগরিক পরিষেবা একেবারে তলানিতে পৌঁছে গিয়েছে। হাওড়া পুরসভার নাগরিক পরিষেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হন বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি সরকারে আসার পর যাতে দ্রুত হাওড়া পুরসভায় ভোট করানো যায় তা নিয়ে তৎপর হল বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। মহাকরণে বিজেপির নতুন সরকার গঠনের পর হাওড়া পুরসভায় যাতে দ্রুত ভোট করানো হয় তার জন্য বিজেপির জেলা নেতৃত্ব রাজ্য সরকারকে প্রস্তাব দেবে বলে জানালেন।
বুধবার বিজেপির হাওড়া জেলা সদর সভাপতি গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য হাওড়া পুরসভায় যান। সেখানে তিনি হাওড়ার পুর কমিশনার তথা হাওড়া পুরসভার প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করেন। দ্রুত হাওড়া পুরসভায় ভোট করানোর আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি যাতে এ বছরের বর্ষায় হাওড়া পুর এলাকা প্রতিবারের মতো এবারও ভেসে না যায় তা দেখতে পুর কমিশনারকে অনুরোধ করেন বিজেপির জেলা সদর সভাপতি-সহ দলের জেলা নেতৃত্ব।
এই প্রসঙ্গে এদিন গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘আমাদের সরকার এখনও গঠন হতে কয়েকদিন বাকি। তবে আমরা তার আগে থেকেই দলের তরফে সরকারকে প্রস্তাব দিচ্ছি যাতে হাওড়া পুরসভায় দ্রুত ভোট করা যায়। কিন্তু একটি বিষয় আমরা আশঙ্কিত এবার যেহেতু পুরসভায় কোনও বোর্ড নেই তাই অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও বর্ষায় ভাসতে পারে হাওড়া পুরসভা। আশা করি, আগামীদিনে এই সমস্যা আর থাকবে না।’’
গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘আমাদের সরকার এখনও গঠন হতে কয়েকদিন বাকি। তবে আমরা তার আগে থেকেই দলের তরফে সরকারকে প্রস্তাব দিচ্ছি যাতে হাওড়া পুরসভায় দ্রুত ভোট করা যায়। কিন্তু একটি বিষয় আমরা আশঙ্কিত এবার যেহেতু পুরসভায় কোনও বোর্ড নেই তাই অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও বর্ষায় ভাসতে পারে হাওড়া পুরসভা। আশা করি, আগামীদিনে এই সমস্যা আর থাকবে না।’’
অন্যদিকে এদিন বিজেপির জেলা সদর সভাপতি হাওড়া পুরসভায় এসে এখানকার অস্থায়ী কর্মচারীদের সমস্যার কথা শোনেন। পাশাপাশি এদিন তৃণমূল পরিচালিত কর্মচারী সংগঠনের অনেকেই বিজেপিতে যোগ দেন। কর্মচারীরা তাঁদের অভাব অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি তৃণমূলের সংগঠন ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। তৃণমূল কর্মচারী সংগঠনের ঘরও বিজেপির দখলে চলে যায়।
