এখনও অধরা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তরা। ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের খোঁজে আইজি সিআইডির নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। বিশেষ দলের আধিকারিকরা একেবারে ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের খোঁজ পেতে এলাকায় বসানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ঘটনায় যুক্ত তিনজনের মধ্যে একজন স্থানীয় কেউ হতে পারে। তাঁকেই চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে স্থানীয় অপরাধীরাও পুলিশের নজরে রয়েছে।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ঘটনায় যুক্ত তিনজনের মধ্যে একজন এলাকা হতে পারে। তাঁকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে স্থানীয় অপরাধীরাও পুলিশের নজরে রয়েছে।
এদিকে আজ, বৃহস্পতিবার সকালেই ঘটনাস্থল অর্থাৎ মধ্যমগ্রামে যান সীমান্তরক্ষী বাহিনী অর্থাৎ বিএসএফের ডিজি প্রবীণ কুমার। গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। তবে কোনও মন্তব্য করেননি। অন্যদিকে রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধানাথ গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনায় ব্যবহৃত চারচাকার গাড়িটি ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। নম্নরপ্লেট অনুযায়ী গাড়িটি শিলিগুড়ির। তবে সেটি ভুয়ো বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এরপরেই ওই নম্বরপ্লেটের সূত্র ধরে শিলিগুড়িতে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, পুলিশ আধিকারিকরা আরও জানতে পেরেছেন ওই গাড়িটি ঘটনার ছয় থেকে সাত ঘণ্টা আগে থেকেই মধ্যমগ্রাম এলাকায় ঘুরছিল।
ঘিরে রাখা হয়েছে ঘটনাস্থল।
অন্যদিকে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বারাসাত মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চন্দ্রনাথ রথের দেহ। আর তা করতে ইতিমধ্যে তিন সদস্যের একটি টিম তৈরি করা হয়েছে। এই টিমে একজন বিভাগীয় প্রধান এবং দু’জন সহকারী অধ্যাপক রয়েছেন। জানা গিয়েছে, বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ময়নাতদন্তের বিষয়টি খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আর সেই কারণেই বিশেষ টিম গঠন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনীকে। মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। যে জায়গায় এই খুনের ঘটনা সেখানে কর্ডন করে দেওয়া হয়েছে। আশেপাশে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
