ভোটের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। এরমধ্যেই বুধবার রাতে দুষ্কৃতীতে হাতে খুন হতে হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। একেবারে ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে এই ঘটনা বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। এরমধ্যেই বিজেপি সমর্থককে ফোন করে ডেকে বাড়ির কাছেই কুপিয়ে খুন। একেবারে নৃশংসভাবে হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মেরে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পড়ে রইল দেহ। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী এবং কেন্দ্রীয়বাহিনী জওয়ান। কেন এই ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এর পিছনে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই বলেই প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।
মালদার ইংরেজ বাজার পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের গাদুয়া মোড় এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত বিজেপি সমর্থকের নাম কিশাণ হালদার। বয়স ২৮ বছর। পরিবারের অভিযোগ, বুধবার রাতে তাঁকে কয়েকজন ফোন করে ডাকে। এরপর বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে মহেশপুর বাগানপাড়া এলাকায় তার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন কিষাণের দুই বন্ধুও। অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী গোলাম হালদারের ছেলে সুমন হালদার-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এদিকে যেখানে খুন করা হয়েছিল ওই বিজেপি সমর্থককে সেই জায়গায় ঘটনার পরেও পড়ে ছিল খুনে ব্যবহৃত বড় আকারের একটি হাঁসুয়া। তাতে স্পষ্ট ছিল রক্তের দাগ।
পরিবারের অভিযোগ, বুধবার রাতে তাঁকে কয়েকজন ফোন করে ডাকে। এরপর বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে মহেশপুর বাগানপাড়া এলাকায় তার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন কিষাণের দুই বন্ধুও। অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী গোলাম হালদারের ছেলে সুমন হালদার-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
এদিকে, বিজেপির তরফ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, এটা কোনও রাজনৈতিক খুন নয়। এলাকার কিছু যুবকের মধ্যে গোলমালের জের। এখনও পর্যন্ত পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। যারা অভিযুক্ত তাঁদেরও কোনও রাজনৈতিক পরিচিতি নেই। একই দাবি, মৃতের বাবা বিরেন মাহাতোরও। তিনি জানিয়েছেন, এর পিছনে কোনও রাজনীতি নেই। আমরা সবাই এখানে মিলেমিশে থাকি। তবে এর পিছনে স্থানীয় কোন গোলমাল আছে বলে দাবি মৃতের বাবা। অন্যদিকে মৃতের বৌদি সীমা হালদারের অভিযোগ, বুধবার বিকেলে হাঁসুয়া হাতে নিয়ে অভিযুক্ত সুমন কিষাণকে খুঁজতে এসেছিল। অনেকেই তাঁকে দেখতেও পেয়েছিল। ফলে এই ঘটনায় সুমনের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবার।
