নন্দন দত্ত, বীরভূম: থানা চত্বরে মিলল যুবকের ঝুলন্ত দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমের সাঁইথিয়ায়। কেন এই চরম সিদ্ধান্ত? নেপথ্যে উঠে আসছে সালিশি সভার তত্ত্ব। কিন্তু গোটা বিষয়টা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার বেলা ১২ টা নাগাদ। সাঁইথিয়া থানা চত্বরের একটি টিনের শেডে দেখা যায় ঝুলন্ত অবস্থায় এক যুবক। সিভিক ভলান্টিয়াররা দেখা মাত্রই যুবককে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়। নিয়ে যাওয়া হয় সাঁইথিয়া হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপরই প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, রামপুরহাটের বামনি গ্রামের বাসিন্দা বছর ২৪-এর ওই যুবক। নাম সুবীর। সূত্রের খবর, আজমল শেখ নামে এক যুবক থানা চত্বরেই নাকি সালিশি সভা ডাকতেন বিভিন্ন সমস্যা মেটাতে। সুবীরের কোনও সমস্যা মেটাতে সালিশি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। মীমাংসা পছন্দ হয়নি যুবকের।
প্রাথমিকভাবে অনুমান, মীমাংসা পছন্দ না হওয়ায় অবসাদগ্রস্ত হয়ে আত্মঘাতী হন ওই যুবক। কিন্তু গোটা ঘটনায় বেশ কিছু প্রশ্ন থাকছেই। অভিযোগ, আজমল শেখ নাকি দীর্ঘদিন ধরেই থানা চত্বরে সালিশি সভা করতেন, কিন্তু কীভাবে? পুলিশ কেন কোনও পদক্ষেপ করেনি? যদিও পুলিশের দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। নেপথ্যের কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।