সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক শিশু-সহ তিন যাত্রীর। ঘটনায় জখম অন্তত ১০ জন। বুধবার বিকেলে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার ধুবুলিয়া থানা এলাকার বাহাদুরপুর এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়েই ছুটে আসে পুলিশ। কীভাবে এই দুর্ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কুয়াশা নাকি অন্য কোনও কারণ তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে দুর্ঘটনার জেরে দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। যার জেরে তীব্র যানজট তৈরি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে বহরমপুরমুখী একটি যাত্রিবাহী বাসকে পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয় আরও একটি বাস। ওই বাসটি কৃষ্ণনগরের দিকে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই ছিল যে একটি বাস একেবারে রাস্তার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দু'জনের। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় মানুষজনই উদ্ধারকাজে হাত লাগান। খবর পেয়ে ছুটে আসে পুলিশও। দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। জখম ১০ জনের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে।
জানা গিয়েছে, মৃতদর একজনের নাম ঝড়ু শেখ, রোজিনা খাতুন এবং রফিদ শেখ। বছর ৫০ এর নিহত ঝড়ু ধুবুলিয়া এলাকার বাসিন্দা। মৃত ছয় বছরের রফিদ শেখ এবং ২৫ বছরের যুবতী রোজিনা খাতুনের বাড়ি সোনডাঙা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতরা সবাই বহরমপুরমুখী বাসটির যাত্রীরা ছিলেন। ঘটনার পরেই জাতীয় সড়কের উপর পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় মানুষজন। তাঁদের অভিযোগ, জাতীয় সড়কে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। যদিও এদিন তরফে নজরদারি বাড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে কীভাবে ঘটনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, দুটি বাসই বেসরকারি সংস্থা। ফলে সমস্ত কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুলিশের তরফে।
