সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেতাই দিবসে শহিদদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। এক্স হ্যান্ডেলে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ঝাড়গ্রামে হামার্দবাহিনীর তাণ্ডবের স্মৃতিচারণা করলেন তিনি। লিখলেন, 'নেতাই-এর অমর শহিদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম।'
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ঝাড়গ্রামের নেতাইয়ে সিপিআইএমের হার্মাদবাহিনীর গুলিতে ৯ জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়। বহু গ্রামবাসী গুরুতর আহত হন। ওই বছর ১০ জানুয়ারি হাই কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন কার্যকরী কমিটির সাধারণ সদস্যদের সভায় প্রস্তাবমতো তৎকালীন বারের সহ-সভাপতি সুখেন্দুশেখর রায় ও সহ সম্পাদক সঞ্জয় বর্ধন নেতাই গণহত্যার প্রতিবাদে সিবিআই তদন্ত ও মৃত পরিবারের সদস্য ও আহতদের আর্থিক সাহায্যের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে। ১৮ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি জয়নারায়ণ প্যাটেল ও অসীমকুমার রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি, মৃতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের ১ লাখ ও কম গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্যের নির্দেশ দেয়। যদিও তৎকালীন বাম সরকার সুপ্রিম কোর্টে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে আবেদন করে। কিন্তু দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে। ২০১১ সালের জুলাই মাসে ক্ষমতায় এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের আর্থিক সাহায্য করেন।
২০১২ সাল থেকে প্রতিবছরই তৃণমূল কংগ্রেস এই ৭ জানুয়ারির দিনটিকে নেতাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে। এবছরও তার অন্যথা হয়নি। বুধবার সকালেই এক্স হ্যান্ডেলে শহিদদের শ্রদ্ধা জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। লেখেন, 'আজকের দিনে ২০১১ সালে ঝাড়গ্রাম জেলার নেতাই গ্রামে হার্মাদবাহিনীর হাতে প্রাণ হারান ৯ জন নিরীহ মানুষ। নেতাই-এর সেই সকল শহিদের প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি।'
