২০২২ সালে শেষ হয়ে গিয়েছিল পুরনিগমের মেয়াদ। তারপর আর ভোট হয়নি। তৈরি হয়নি নতুন বোর্ড। প্রশাসকমণ্ডলী বসিয়ে কাজ চলছিল। এবার রাজ্যে বিজেপি সরকার আসায় দুর্গাপুর পুরনিগমের এই বেহাল দশা ঘুচতে চলেছে। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর একটি প্রেক্ষাগৃহে পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে ওই প্রশাসকমণ্ডলী ভেঙে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বদলে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দিলেন জেলাশাসক এস পুণ্যবলমকে। মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, দুর্গাপুজো বা কালীপুজোর আগে-পরে এখানে পুরভোট করানোর জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানাবেন। তবে আশ্বাস দিলেন, এটুকু সময়ের মধ্যে যাতে পুরপরিষেবা থেকে নাগরিকরা বঞ্চিত না হন, তার ব্যবস্থা করবেন পুরমন্ত্রী নিজে।
৪৩টি ওয়ার্ডের দুর্গাপুর পুরনিগমে শেষবার ভোট হয়েছিল ২০১৭ সালে। সেবছর ৪৩টি ওয়ার্ডেই তৃণমূল জিতেছিল। ২০২২ সালে এর মেয়াদ শেষ হয়। তারপর থেকে আর ভোট হয়নি। প্রথমে ৫ সদস্যের প্রশাসকমণ্ডলী বসিয়েছিল তৎকালীন পুরদপ্তর। পরে সেই সদস্য সংখ্যা কমিয়ে ২জন করা হয় - পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান। কিন্তু তাঁরা নিজেদের ওয়ার্ডেই আসতেন না বলে অভিযোগ।
৪৩টি ওয়ার্ডের দুর্গাপুর পুরনিগমে শেষবার ভোট হয়েছিল ২০১৭ সালে। সেবছর ৪৩টি ওয়ার্ডেই তৃণমূল জিতেছিল। ২০২২ সালে এর মেয়াদ শেষ হয়। তারপর থেকে আর ভোট হয়নি। প্রথমে ৫ সদস্যের প্রশাসকমণ্ডলী বসিয়েছিল তৎকালীন পুরদপ্তর। পরে সেই সদস্য সংখ্যা কমিয়ে ২জন করা হয় - পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান। কিন্তু তাঁরা নিজেদের ওয়ার্ডেই আসতেন না বলে অভিযোগ। মেয়াদ শেষ হওয়ায় কাউন্সিলররাও নিয়ম মেনে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। তাঁদের আর কাজের সুযোগ ছিল না। ফলে নাগরিক পরিষেবা পুরোপুরি বিঘ্নিত হয়। ফলে নাগরিকদের ক্ষোভ বেড়েই চলছিল। এবার তাঁদের সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। সব ঠিক থাকলে, পুজোর মরশুম শেষ হলেই দুর্গাপুর পুরনিগমে ভোটের মাধ্যমে নতুন বোর্ড তৈরি হবে। বৃহস্পতিবার তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে আমন্ত্রিত ছিলেন দুর্গাপুর এলাকার ৭ জন বিধায়ক, কিন্তু সৌজন্য দেখিয়ে কেউই আসেননি।
তিনি জানান, ‘‘২০১৭ সালে আপনাদের (নাগরিকদের) ভোট দিতে দেয়নি। পরে আপনারা সুযোগ পেয়ে হাত খুলে ভোট দিয়েছেন - ২০১৯ আর ২০২১ সালের ভোটে বিজেপি এখানে ভালো ফল করেছে। এবার পুরনিগমের ভোট হবে। আমরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানাব, দুর্গাপুজো বা কালীপুজোর আগে-পরে ভোটটা হোক। তার আগে অবশ্য ডিলিমিটেশন হবে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তবে এই সময়ের মধ্যে যাতে আপনারা সব পরিষেবা পান, তার জন্য মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল ব্যবস্থা করবেন। কোনও কাজ বন্ধ থাকবে না।''
এদিন স্থানীয় বিধায়ক, মন্ত্রীদের নিয়ে দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ‘‘২০১৭ সালে আপনাদের (নাগরিকদের) ভোট দিতে দেয়নি। পরে আপনারা সুযোগ পেয়ে হাত খুলে ভোট দিয়েছেন - ২০১৯ আর ২০২১ সালের ভোটে বিজেপি এখানে ভালো ফল করেছে। এবার পুরনিগমের ভোট হবে। আমরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানাব, দুর্গাপুজো বা কালীপুজোর আগে-পরে ভোটটা হোক। তার আগে অবশ্য ডিলিমিটেশন হবে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তবে এই সময়ের মধ্যে যাতে আপনারা সব পরিষেবা পান, তার জন্য মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল ব্যবস্থা করবেন। কোনও কাজ বন্ধ থাকবে না।''
