দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী ছিলেন। ভোটের ফলপ্রকাশের ঠিক দু'দিনের মাথায় সেই কাছের মানুষকে হারিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মধ্যমগ্রামে তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে খুন করেছে আততায়ীরা। আজ, রবিবার চণ্ডীপুরে সেই চন্দ্রনাথের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। নিহত আপ্তসহায়কের ছবিতে মাল্যদানের পর ঘরে ঢুকে যান তিনি। কথা বলেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। আশ্বাস দেন সবসময় পাশে থাকার।
৬ মে, ভোটের ফলপ্রকাশের দু’দিন পর মধ্যমগ্রামের রাস্তায় চন্দ্রনাথ রথকে পরপর গুলি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। চারটি গুলির মধ্যে তাঁর পেটে, বুকে ও মাথায় লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। শুটআউটের ঘটনায় আহত হন গাড়ির চালকও। তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। রাজ্য পুলিশের সিট গঠন করে শুরু হয় তদন্ত। কে বা কারা এই ঘটনায় যুক্ত, তা জানতে ভিনরাজ্যে পাড়িও দেন তদন্তকারীরা। জানা যায়, আততায়ীরা ইউপিআই পেমেন্টের মাধ্যমে বালি টোলপ্লাজায় টাকা দেয়। ওই ডিজিটাল লেনদেন সূত্র ধরে উত্তরপ্রদেশে পৌঁছন তদন্তকারীরা। খুনের পর ভিনরাজ্যে পালিয়ে গিয়েই গা ঢাকা দিয়েছিল তারা। উত্তরপ্রদেশ থেকে দু’জন এবং বক্সার থেকে একজন শার্প শুটারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই শার্প শুটারদের কে বা কারা সুপারি দিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পরবর্তীতে তদন্তভার পেয়েছে সিবিআই।
আজ, রবিবার ছিল চন্দ্রনাথ শ্রাদ্ধানুষ্ঠান। এদিন বিকেলে নিহত চন্দ্রনাথের চণ্ডীপুরের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমেই তাঁর ছবিতে মাল্যদান করেন তিনি। এরপর দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। উল্লেখ্য, চন্দ্রনাথের মৃত্যুর পরই শুভেন্দু জানিয়েছেন মৃতের পরিবারের দায়িত্ব তাঁর।
