মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমানার নীল-সাদা জমানা অতীত। রাজ্যে পালাবদলের পর সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রেরও রং বদলে যাচ্ছে এবার। তা হলুদ ও খয়েরি রঙে নতুন করে রাঙিয়ে তোলা হচ্ছে। এই মর্মে কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং প্রতিটি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে পৌঁছে গিয়েছে চিঠি। প্রাইমারি হেলথ সেন্টার, আরবান হেলথ ওয়েলনেস সেন্টার, সাব সেন্টার, আর্বান প্রাইমারি হেলথ ক্লিনিক।
যেসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত, সেসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতেও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্র্যান্ডিং করতে হবে। আর নতুন ব্র্যান্ডিং রঙের পরিকল্পনা অনুযায়ী হলুদ খয়েরি রঙের মিশেলে তৈরি হবে। সেই রঙের শেডও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর। দেওয়ালের রঙ হবে ইয়েলো মেটাল (শেড নম্বর ৭৯২০) এবং এথনিক ব্রাউনের মিশ্রণে।
বলা হয়েছে, যেগুলি আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত, সেসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতেও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্র্যান্ডিং করতে হবে। আর নতুন ব্র্যান্ডিং রঙের পরিকল্পনা অনুযায়ী হলুদ খয়েরি রঙের মিশেলে তৈরি হবে। সেই রঙের শেডও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর। দেওয়ালের রঙ হবে ইয়েলো মেটাল (শেড নম্বর ৭৯২০) এবং এথনিক ব্রাউনের মিশ্রণে।
রং কেমন হবে তারও একটি উদাহারণ তুলে দিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। পুরনো বিশ্ব বাংলার লোগো বাদ দিতে হবে। আয়ুষ্মান ভারত এবং ন্যাশনাল হেলথ মিশনের ছ’টি এমব্লেম বা প্রতীক নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। পুরনো হেলথ সেন্টারগুলো যেমন নতুন করে রঙ হবে, নতুন নির্মীয়মাণ ব্লক প্রাইমারি হেলথ ক্লিনিক, ব্লক প্রাইমারি হেলথ সেন্টারের ক্ষেত্রেও বজায় থাকবে নিয়ম। এই হলুদ-খয়েরি রঙেই রাঙাতে হবে প্রতিটি ব্লক প্রাইমারি হেলথ ক্লিনিক, ব্লক প্রাইমারি হেলথ সেন্টার। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় এ ধরনের ইউনিফর্ম ব্র্যান্ডিংয়ের নির্দেশ এই প্রথম।
নয়াদিল্লির নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম) এর আওতায় থাকা সাব-সেন্টার (এসসি), প্রাইমারি হেলথ সেন্টার (পিএইচসি), আরবান প্রাইমারি হেলথ সেন্টার (ইউপিএইচসি), কমিউনিটি হেলথ সেন্টার (সিএইচসি)-সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নির্দিষ্ট ডিজাইন, রং ও লোগো ব্যবহার করতে হবে।
