রাজ্যে পালাবদলের পরেই সীমান্তে জোরকদমে চলছে কাঁটাতার বসানোর কাজ। অনুপ্রবেশ রুখতে সতর্ক সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এহেন পদক্ষেপকে নিয়েই উসকানিমূলক পোস্ট! এক মহিলা কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার করল মালদহের চাঁচল থানার পুলিশ। ধৃতের নাম মুসু ইয়াসমিন। অভিযোগ, ওই পোস্টে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অশালীনভাষায় আক্রমণ করা হয়। এরপরেই ওই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগের ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বিজেপি নেতা সন্দীপ পাণ্ডে বলেন, ''প্রথমদিকে ওই কনটেন্ট ক্রিয়েটর ভালো ভিডিও তৈরি করতেন। হঠাৎ করেই ভারত বিরোধী ভিডিও তৈরি করা শুরু করলেন।'' এর পিছনে বড়সড় চক্রান্ত থাকতে পারে বলে অনুমান ওই বিজেপি নেতার। ফলে পুরো ঘটনার সঠিক তদন্ত পুলিশ যাতে করে, সেই আবেদনও রাখেন তিনি।
জানা গিয়েছে, মালদহের চাঁচল থানার মোবারকপুর এলাকার বাসিন্দা কনটেন্ট ক্রিয়েটর মুসু ইয়াসমিন। বিভিন্ন বিষয়কে নিয়ে সমাজমাধ্যমে কন্টেন্ট বানান তিনি। সম্প্রতি অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একটি ভিডিও বানান অভিযুক্ত ইয়াসমিন। সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কুরুচিকর এবং অশালীনভাষায় আক্রমণ করেন অভিযুক্ত ওই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। যা নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্কের ঝড় ওঠে। এরপরেই চাঁচল থানায় অভিযুক্ত ওই মুসু ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগের ভিত্তিতে আজ, শনিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিন অভিযুক্তকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। শুধু তাই নয়, বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই ধরনের ভিডিও শুধু ওই যুবতীর মস্তিষ্কপ্রসূত নয়, এর পিছনে দেশ বিরোধী কোনও শক্তি রয়েছে। তাই পুলিশের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।
এই প্রসঙ্গে স্থানীয় এক বিজেপি নেতা সন্দীপ পাণ্ডে বলেন, ''প্রথমদিকে ওই কনটেন্ট ক্রিয়েটর ভালো ভিডিও তৈরি করতেন। হঠাৎ করেই ভারত বিরোধী ভিডিও তৈরি করা শুরু করলেন।'' তাঁর আশঙ্কা, এর পিছনে বড়সড় চক্রান্ত থাকতে পারে। ফলে পুরো ঘটনার সঠিক তদন্ত পুলিশ যাতে করে, সেই আবেদনও রাখেন ওই বিজেপি নেতা। অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করে কেন এমন ভিডিও তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।
