shono
Advertisement
Samik Bhattacharya

ধর্ষণে অভিযুক্ত হয়ে তিহাড় জেলে, সেই বিজেপি কর্মীর হাসপাতালের অনুষ্ঠানে শমীক! শুরু বিতর্ক

দুর্গাপুরের কাঁকসা এলাকার মুচিপাড়ার মার্বেল ব্যবসায়ী হিরণ্ময় দাস বর্তমানে বিজেপি কর্মী। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২২ সালে দিল্লিতে ধর্ষণের অভিযোগে তিনমাস তিহাড়ে কারাবন্দি ছিলেন।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 05:20 PM Feb 19, 2026Updated: 06:34 PM Feb 19, 2026

একের পর এক ধর্ষণের অভিযোগ। সেই অভিযোগে তিনমাস তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন দুর্গাপুরের ব্যবসায়ী তথা বিজেপি কর্মী। সেই ব্যবসায়ীরই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে হাজির বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)! ভোটের মুখে এনিয়ে জোর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে দুর্গাপুরে। এনিয়ে তৃণমূলের কটাক্ষ, এটাই বিজেপির সংস্কৃতি।

Advertisement

দুর্গাপুরের কাঁকসা এলাকার মুচিপাড়ার মার্বেল ব্যবসায়ী হিরণ্ময় দাস বর্তমানে বিজেপি কর্মী। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২২ সালে দিল্লিতে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে সেই মামলায় তিনমাস তিহাড়ে কারাবন্দি থাকতে হয়েছিল। এছাড়া নিজের দোকানের এক মহিলা কর্মীকেও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল 'কীর্তিমান'-এর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, জলাভূমি ভরাট ও সরকারি জমিদখলের অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এমন এক বিতর্কিত ব্যক্তির উদ্যোগে গড়ে উঠতে চলা বেসরকারি হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বুধবার দুপুরে হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এবং বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

শমীকের পাশেই ধর্ষণ মামলায় জেলবন্দি থাকা বিজেপি নেতা হিরণ্ময় দাস। নিজস্ব ছবি

কাঁকসার মুচিপাড়ায় হিরন্ময়ের বিশাল মার্বেলের শোরুম রয়েছে। সেই চত্বরেই তৈরি হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতাল। তবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মঞ্চে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। উল্লেখ্য, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা বিজেপিতে যোগ দেওয়াকে ঘিরেও তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এই জেলায়। এবার ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের ধর্ষণ মামলার এক অভিযুক্তকে ঘিরে বিজেপির অস্বস্তি বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এদিন শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নিজেই উত্তর দিতে পারবেন। দেশে আইন আছে, আইনের শাসন আছে। আপনাদের কোনও অভিযোগ থাকলে থানায় গিয়ে জানান।"

হিরন্ময় দাসের দাবি, "আমাকে ভিত্তিহীন অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছিল। মাসখানেক আগে আদালত আমাকে নির্দোষ প্রমাণ করেছে।” কটাক্ষ করে জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায় বলছেন, "যে ব্যক্তি দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিল, সে এখন বিজেপির ঝান্ডা ধরে বাঁচার চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনও লাভ হবে না। বাংলার মানুষ বিজেপিকে যোগ্য জবাব দেবে।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement